জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের সাবেক বোর্ড সদস্য প্রকৌশলী মো. ইকরামুজ্জামানসহ সাবেক ৫কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মিরপুর রুপনগর আবাসিক এলাকায় প্লট বরাদ্দের অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগে মামলা করেছে দুদক।
মামলার অপর আসামিরা হলেন,সাবেক সহকারি প্রকৌশলী মো. মোজাম্মেল হক, সাবেক উপ সহকারি প্রকৌশলী মোল্লা নওশের আলী এবং সাবেক উচ্চমান সহকারি মো. হেদায়েতুল ইসলাম।
আজ আজ মঙ্গলবার দুদকের উপ সহকারী পরিচালক মাহবুবুল আলম বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় এ মামলা দায়ের করেন। মামলা নম্বর ৩। থানায় দন্ডবিধি ১০৯ এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় রেকর্ড করে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে,জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের সাবেক ওই ৫কর্মকর্তা পরস্পর যোগসাজশে নিজেরা লাভবান হয়ে অন্যকে বেআইনী ভাবে লাভবান করানোর জন্য মিরপুর রুপনগর আবাসিক এলাকায় একাধিক প্লট বরাদ্দের তথ্য গোপন, অনিয়ম ও জালিয়াতির আশ্রয় নেয়।
মামলা অভিযোগে বলা হয়েছে, রুপনগর আবাসিক এলাকায় রোড-৩৭, পৌনে ২ কাঠার প্লট নং-২০ গ্রহিতা জনৈক মুক্তিযোদ্ধা ওমর ফারুক। ১৯৮৫ সালে তার নামে পৌনে ২ কাঠার প্লটটি বরাদ্দ দেয়া হয়। তাকে বুঝে না দিলে পরে রোর্ড নং-৩৫/১/খ পৌনে ২ কাঠার প্লট পুনরায় বরাদ্দ দেয়। এটাও তাকে বুঝিয়ে না দিলে,পরে রোর্ড নং-৬ প্লট নং-১এর পৌনে ২ কাঠার প্লটের জন্য আবেদন জানান ওই মুক্তিযোদ্ধা ওমর ফারুক।
এদিকে ১৯৮৫ সালে মো. আলী সরকার ৫ কাঠার প্লটের জন্য আবেদন জানান। পরে ১৯৮৯ মালে রুপনগর আবাসিক এলাকায় রোর্ড নং-৭, প্লট নং-২ (৫কাঠা) বরাদ্দ দেয়।কিন্তু তাকে প্লট বুঝিয়ে না দিয়ে তথ্য গোপনের মাধ্যমে অন্যের নামে বরাদ্দ দেয়া একটি প্লট বরাদ্দ দেয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ।আর এ প্লটটি এন এইচ মজুমদারের নামে রোর্ড নং-৬,প্লট নং-১(৫ কাঠা) প্লটের বরাদ্দ। তার কাছ থেকে সমুদয় টাকা নেয়া সত্বও বলা হয়েছে তার টাকা ফেরত দেয়ার পর এ প্লটটি অবরাদ্দ অবস্থায় রয়েছে।
ঢাকা, একে ,৫ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম





