রাজশাহীর বাগমারার মচমইল এলাকায় অতিরিক্ত মদপানে ৭ দিনের ব্যবধানে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।মঙ্গলবার সকালে একইভাবে মৃত্যু হয়েছে মাসুদ হোসেন (৩২)এক পাওয়ারটিলার ট্রলি ড্রাইভারের।
মাসুদ হোসেন উপজেলার শুভডাঙ্গা ইউনিয়নের পার মচমইল গ্রামের মৃত ইয়াছিন আলীর ছেলে।
এলাকাবাসীর দাবি পুলিশ প্রশাসনের চলমান মাদকবিরোধী অভিযান কোনো কাজে আসছে না। ফলে এলাকাবাসী মাদক ও তাদের সন্তানাদি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।
মচমইল বাজারের এক প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, গত রোববার সন্ধ্যায় মচমইল বাজারে কাজ শেষে মাসুদ বন্ধুদের সঙ্গে বাজারের দক্ষিণ পার্শ্বে রাজবাড়ির নিকটে ৩ বোতলেরও বেশি এলকোহল পান করে।
অতিমাত্রায় নিষিদ্ধ এলকাহল পান করায় সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। সারা রাত অসুস্থ থাকার পর সোমবার সকালে তার বাড়িতে খবর দেয় তার সহযোগীরা।
খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন অসুস্থ অবস্থায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়। মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার ভোর রাতে মাসুদের মৃত্যু হয়।
জানা যায়, মাসুদ দীর্ঘ দিন ধরে মদ, ফেনসিডিল পান করতো। তারই ধারাবাহিকতায় গতকাল অতিমাত্রায় মদপানেই তার মৃত্যু হয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ পুলিশি অভিযানেও মাদক ব্যবসা বন্ধ হয়নি।
গত শুক্রবার একইভাবে অতিরিক্ত মদপানে একই এলাকার মচমইল ডিগ্রী কলেজের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী সেকেন্দার (৫০) ও খোদ্দকৌড় গ্রামের আ. সালামের (৩৫) মৃত্যু হয়েছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে একই এলাকার পর পর ৩ জনের মৃত্যুতে এলাকাবাসীর মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
এ প্রসঙ্গে বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু ওবাইদা খান বলেন, মদপানে মাসুদের মৃত্যুর ঘটনা তার জানা নেই। এ ব্যাপারে থানায় কোনো অভিযোগ হয়নি। তবে বিষয়টির খোঁজ-খবর নেয়া হচ্ছে।
এছাড়া তিনি বলেন প্রতিনিয়তই মাদক বিরোধী অভিযান চলছে । তিনি বিষটিকে আরো গুরুত্ব দিচ্ছেন বলেও মন্তব্য করেন।
এমকে





