ক্যাসিনো মালিক ও এর সঙ্গে জড়িতরা যত প্রভাবশালী-ই হোক না কেন, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে হুশিয়ার করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার (ডিএমপি) শফিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, রাজধানীতে জুয়ার আসর বসতে দেয়া হবে না।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় নিজ কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

‘আমি এই সপ্তাহেই কমিশনার হিসেবে কাজ শুরু করেছি। আমি যারা এই বিষয় দেখেন তাদের নির্দেশ দিয়েছি, কোথায় কী হচ্ছে, কারা এসব পরিচালনা করছে তা তালিকা করে জানাতে।’

ডিএমপি কমিশনার বলেন, অভিযান শুরু করেছে তেমনি পুলিশের ভূমিকাও একই রকম। স্পষ্ট করে বলছি, রাজধানীর কোথাও জুয়ার বোর্ড কিংবা ক্যাসিনো চলতে দেওয়া হবে না।

জুয়ার বোর্ড কিংবা ক্যাসিনোর সঙ্গে মাদক সেবনের বিষয়ে জানতে চাইলে শফিকুল বলেন, ক্যাসিনোতে যারা জুয়া খেলতে আসে তারাই মাদক সেবন করছে। ক্যাসিনো যদি বন্ধ হয়ে যায় তাহলে সেখানে মাদক সেবনও বন্ধ হবে। ক্যাসিনো বন্ধ করেও যদি কেউ মাদকের কারবার চালানোর চেষ্টা করে তবে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অনেক ডিজে পার্টির আসর বসে। সেখানে মাদক সেবনের পাশাপাশি সন্ত্রাসীদের আনাগোনাও বেশি।

এ বিষয়ে ডিএমপির পদক্ষেপের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নির্মল বিনোদন হলে পুলিশ সহযোগিতা করবে। কিন্তু সেখানে বিনোদনের নামে যদি অশালীন ও অবৈধ কিছু চলে, মাদক সেবন হয় তাহলে সেখানেও একই রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

ক্যাসিনো কিংবা জুয়ার বোর্ড পরিচালনার সঙ্গে জড়িত প্রভাবশালীরা। যিনি আটক হয়েছেন তিনিও একটি প্রভাবশালী দলের নেতা। সেই দলের শীর্ষনেতা প্রশ্ন তুলেছেন, এতোদিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তো কিছু করেনি, তাছাড়া এসব তো রাতারাতি গড়ে ওঠেনি। জড়িত শীর্ষ নেতাদের বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না?

এ বিষয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে আমরা কঠোর। যে যে-ই পর্যায়েই হোক না কেন? জোনাল ডিসিদের নির্দেশনা দিয়েছি এ ধরনের ঘটনা মোটেও সহ্য করবো না।

যদি কেউ জুয়ার বোর্ড কিংবা ক্যাসিনো পরিচালনা করে, তাহলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

এএস