বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনের নামে গ্রাহকদের কাছ থেকে ৩৬৫ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন রি-টেইলাররা। এ অভিযোগ বাংলাদেশ মোবাইল ফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের।

শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেছেন সংগঠনটির সভাপতি মহিউদ্দিন আহম্মেদ।

তিনি অভিযোগ করেন, বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনের বিষয়ে কোনো টাকা নেয়ার কথা না থাকলেও রি-টেইলাররা গ্রাহকদের কাছ থেকে ২০ টাকা থেকে ৫০ টাকা করে নিচ্ছেন।

কোনো কোনো গ্রাহকের কাছ থেকে ৫০ টাকা থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে সিম নিবন্ধনের জন্য। এভাবে গ্রাহকদের কাছ থেকে ৩৬৫ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন রি-টেইলাররা। বিশেষ করে গ্রামে-গঞ্জে এ সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে।

তাদের অভিযোগ, ১০ বছর আগে জাতীয় পরিচয়পত্রে (এনআইডি) গ্রাহকের দেয়া আঙ্গুলের ছাপের সঙ্গে বর্তমানের আঙ্গুলের ছাপের মিল না থাকায় গ্রাহকদের বিড়ম্বনার শিকার হতে হচ্ছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়।

এতে বলা হয়, অনেক গ্রাহক ১০ বছর আগে এনআইডি করেছেন। ১০ বছরে আঙ্গুলের ছাপ পরিবর্তিত হওয়ায় সিম নিবন্ধনে নানা প্রতিবন্ধকতা হচ্ছে। একজনের আঙ্গুলের ছাপ দিয়ে অন্যজনের সিম নিবন্ধিত হয়েছে।

মুঠোফোনের গ্রাহক আট কোটি হলেও সিম বা রিমের গ্রাহক ১৩ কোটি ৮৫ লাখ। আজ পর্যন্ত ৬০ শতাংশ গ্রাহক নিবন্ধন করতে পেরেছেন। ৪০ শতাংশ গ্রাহকই এখনো সিম নিবন্ধন করতে পারেননি।

এসব সমস্যার কারণে সংগঠনটির পক্ষ থেকে সিম নিবন্ধনের সময়সীমা বাড়ানোর পাশাপাশি হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি, গ্রাহকদের প্রতিনিধি ও বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে পর্যালোচনা কমিটি গঠনের দাবি জানানো হয়েছে।

এমবি