ডিএনসিসি’র পাঁচটি অঞ্চলে ১০২ সড়কে অবৈধ স্থাপনা শনাক্ত করেছে নগর কর্তৃপক্ষ। আগামী রোববার ডিএনসিসি’র অঞ্চল-১ থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযানে নামবে। পরে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য অঞ্চলেও এই অভিযান পরিচালিত হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম।
মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকালে নগর ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে মেয়র বলেন, “সড়ক ও ফুটপাত দখল করে কোনো ধরনের বাণিজ্য করতে দেয়া হবে না। পথচারীদের জিম্মি করে দখল বাণিজ্য সহ্য করা হবে না।”
দলমত নির্বিশেষে সবাইকে ফুটপাত অবৈধ দখলমুক্ত করার আহ্বান জানিয়ে মেয়র আতিকুল বলেন, “সড়ক ও ফুটপাত দখল করে যারা নির্মাণসামগ্রী রাখে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
উচ্ছেদ অভিযান শুরুর আগেই অবৈধভাবে দখল করে রাখা সড়ক ও ফুটপাত ছেড়ে দিতে দখলদারদের আহ্বান জানান মেয়র আতিকুল।
ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য আকবর হোসেন পাঠান ফারুক বলেন, “আমরা একটি দেশ যেখানে স্বাধীন করতে পেরেছি, সেখানে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, রাস্তা-ঘাট পরিষ্কার এসবতো কোনো বিষয়ই না। আমরা অবশ্যই আমাদের দেশকে সুন্দর করে গড়তে পারবো।”
ঢাকা-১৬ আসনের সংসদ সদস্য ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লা বলেন, “আমি ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের নিয়ে আমার এলাকার সকল সড়ক ও ফুটপাত থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে জনগণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করতে ডিএনসিসির সঙ্গে কাজ করবো।”
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, “পুলিশ মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করতে চায়। সড়ক ও ফুটপাত থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে ডিএমপি সব ধরনের সহযোগিতা করবে।”
নগরের উত্তরা (অঞ্চল-১) এলাকায় মোট ৩৯টি সড়ক, মিরপুর, কালসি (অঞ্চল-২) এলাকায় ১২টি; গুলশান-১, গুলশান-২, বনানী, বাড্ডা, মহাখালী, আমতলি এলাকায় ৭টি; গাবতলি, মিরপুর, মাজার রোডে (অঞ্চল-৪) ৭টি এবং শেরে বাংলা নগর, মোহাম্মদপুর এলাকায় (অঞ্চল-৫) ৩৭টি সড়কে অবৈধভাবে স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে বলে জানিয়েছে নগর কর্তৃপক্ষ।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- ডিএনসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুল হাই, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম, ওয়ার্ড কাউন্সিলর এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এমবি





