জেলার চৌদ্দগ্রামে এক তরুণীকে গণধর্ষণের সময় শাহাদাত হোসেন মুন্না নামের এক বখাটেকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। শুক্রবার রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উপজেলার পদুয়া এলাকার হাজারী ব্রিকসে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় শনিবার সকালে ধর্ষিতা বাদী হয়ে আটক বখাটেসহ পাঁচজনকে আসামি করে চৌদ্দগ্রাম থানায় একটি মামলা করেন।
আটক মুন্না ভাজনকরা গ্রামের জয়নাল আবেদীনের ছেলে। মুন্নাসহ অন্য আসামিরা হলো- ভাজনকরা গ্রামের সিরাজ মিয়ার ছেলে মাহফুজ, মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে নয়ন, আবদুর রউফের ছেলে আলমগীর ও গজারিয়ার আবদুল মন্নানের ছেলে কাইয়ুম।
মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নাঙ্গলকোট উপজেলার সাতবাড়িয়া গ্রামের ২২ বছর বয়সী এক তরুণী গ্রামবাংলা পরিবহনে চট্টগ্রাম বড় বোনের বাসা থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পরিবহনের কর্মকর্তারা তাকে পদুয়া রাস্তার মাথার পরিবর্তে এক কিলোমিটার দূরে ভাজনকরা রাস্তার মাথায় নামিয়ে দেয়। তখন রাত সাড়ে ৮টা। ওই তরুণী হেঁটে পদুয়া রাস্তার মাথার উদ্দেশে রওনা হলে পাঁচ বখাটে তাকে জোর করে পাশের হাজারী ব্রিকসে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।
পরে তার ভ্যানেটি ব্যাগে থাকা ৫০ হাজার টাকা লুটে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় আয়েশার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ধাওয়া করে শাহাদাত হোসেন মুন্নাকে (২২) আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। বাকিরা টাকা নিয়ে পলিয়ে যায়।
চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার চক্রবর্তী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ঢাকা, ৯ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, জেআই





