অষ্টম পে স্কেলে কমিশনের সুপারিশ বিবেচনায় না নিয়ে সরকার সাড়ে ৩ লক্ষ প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর কর্মকর্তাদের বঞ্চিত করেছে সরকার।

এছাড়া কর্মকর্তাদের ১ম,২য়,৩য় ও ৪র্থ   শ্রেণীতে বিভাজন করায় অন্যান্য সকল ক্ষেত্রেই শ্রেণী বৈষ্যম্য ব্যপক আকারে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

শনিবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ সম্মিলিত সরকারী কর্মকর্তা পরিষদ (বাসসকপ) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এ অভিযোগ করেন।

বক্তারা বলেন, ৩০শে সেপ্টেম্বরের মধ্যে বৈষ্যম্য দূরীকরণে কোন ব্যবস্থা না নিলে ৩ অক্টোবর জাতীয় প্রেস ক্লাব ও হাইকোর্টের সামনে ১০ টা থেকে ১১ টা পর্যন্ত মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করবে বলে জানান সংগঠটি।

তারা বলেন, ‘৭৫ এর পরবর্তী সময়ে ক্ষমতাসীন সরকারগুলো রাজনৈতিক শর্ত হাসিলের জন্য ক্যাডার- নন ক্যাডার ও আন্তঃসার্ভিসে চরম বৈষম্য সৃষ্টি করেছে। পরবর্তীতে ‘৯৭ ও ২০০৯ সালে আওয়ামীলীগ সরকার বৈষম্য দূরীকরণে পে-কমিশনের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিলেন।

এ অবস্থায় এই বৈষম্য দূরীকরনে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে সংগঠনের মহাসচিব মো: জিন্নাত আলী বিশ্বাস ৫ টি দাবিও তুলে ধরেন, সর্বস্তরের সিলেকশন গ্রেড ও টাইমস্কেল প্রথা পূর্বের ন্যায় বহাল রাখা; নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ক্যাডার কর্মকর্তাদের ন্যায় নন-ক্যাডার কর্মকর্তাদের পদোন্নতি নিশ্চিত করতে হবে; ১ম শ্রেণীর চাকুরীজীবিদের জন্য ৫ বছর পূর্তিতে সিনিয়র স্কেল/৬ষ্ঠ গ্রেড এবং ১০ বছর পূর্তিতে উচ্চতর স্কেল/৫ম গ্রেড প্রদানসহ সমগ্র চাকুরী জীবনে কমপক্ষে ৪ টি বেতন ধাপ পরিবর্তনের সুযোগ রাখতে হবে; দেশের নাগরিক হিসাবে চাকুরীতে বৈষম্য দূরীকরনে ক্যাডার কর্মকর্তাদের প্রদত্ত সকল সুযোগ সুবিধা নড-ক্যাডার কর্মকর্তদেরও প্রদান করতে হবে; ট্রেজারি রুলস এর বিধি ১৩ ব্যতয় ঘটিয়ে উপজেলা পর্যায়ে ১৬ টি বিভাগকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের অধীনে ন্যস্ত করার সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনে সভাপতি মো: শফিউল আজম, মহাসচিব মো: জিন্নাত আলী বিশ্বাস প্রমূখ।

এমএ/এসএইচ