রাজধানীর গুলশানে জিম্মি ঘটনায় নিহত ইতালির নাগরিকদের মরদেহ নিতে আসা দেশটির উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ল্যাপো পিস্তেলি ঘটনাস্থল হলি আর্টিজান বেকারি রেস্টুরেন্ট পরিদর্শন করেছেন।
মঙ্গলবার সকালে গুলশানের আর্টিজান রেস্টুরেন্ট পরিদর্শনে যান।
এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ও ইতালির রাষ্ট্রদূত মারিও পালমার।
এর আগে জিম্মি ঘটনায় নিহত ইতালির ৯ নাগরিকের মরদেহ নিতে ভোরে বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকায় আসেন ল্যাপো পিস্তেলি।
আর্টিজান রেস্টুরেন্ট পরিদর্শনে গিয়ে ইতালির উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্ব থেকে সন্ত্রাস নির্মুলে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।
তিনি সাংবাদিকদের বলেন, সন্ত্রাসবাদের বিশ্বায়নের কারণে গুলশানে সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘এ ধরনের সন্ত্রাসী হামলায় বাংলাদেশ-ইতালির সম্পর্কে প্রভাব পড়বে না। বরং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড থেকে উত্তরণের জন্য বাংলাদেশ-ইতালির সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে।‘
এ সময় শাহরিয়ার আলম বলেন, এই কষ্টের মধ্যে দিয়ে দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর হবে।
গুলশানে হামলার পর জাপান নিজ দেশের নাগরিকদের বাংলাদেশে আসার ব্যাপারে যে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে এ ব্যাপারে শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই।‘
এসময় বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত মারিও পালমার উপস্থিত ছিলেন।
ইতালির নাগরিকদের লাশ নিয়ে মঙ্গলবারই রোমে ফেরার কথা রয়েছে ল্যাপো পিস্তেলির।
উল্লেখ্য, শুক্রবার রাতে আগ্নেয়াস্ত্র, তরবারি নিয়ে গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্টুরেন্টে ঢুকে দেশি–বিদেশি অতিথিদের জিম্মি করে সন্ত্রাসীরা। রাতভর অপেক্ষার পর সকালে কমান্ডো অভিযান চালিয়ে ২০ জন জিম্মির লাশ উদ্ধার হয়। জীবিত উদ্ধার করা হয় ১৩ জনকে।
অভিযানে দুই পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হন। হামলাকারী ছয় জঙ্গির সবাই নিহত হয়।
নিহত ২০ জন জিম্মির মধ্যে তিনজন বাংলাদেশি, ৯ জন ইতালির,সাতজন জাপানের আর একজন ভারতীয় রয়েছেন।
এফএফ





