ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’র আঘাতে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ৪ থেকে ৫ হাজার ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. এনামুর রহমান। তিনি বলেন, এতে গাছ চাপা পড়ে নিহত হয়েছেন ২ জন।

আজ (১০ নভেম্বর) রোববার সচিবালয়ে ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী এই কথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান বলেন, “আমরা শুনতে পারলাম গড়ে ঝড়ের গতিবেগ ছিল ৪০ থেকে ৯০ কিলোমিটার, এটা খুবই কম। যার ফলে ক্ষয়ক্ষতি এবার সেই রকম কিছু হয়নি।”

তিনি বলেন, “ইতিহাসের সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষকে আমরা সরিয়ে নিতে সক্ষম হয়েছিলাম। ৫ হাজার ৫৮৭টি আশ্রয় কেন্দ্রে ২১ লাখ ৬ হাজার ৯১৮ জনকে আমরা সফলভাবে সরিয়ে নিতে পেরেছি। নিরাপত্তা দিতে পেরেছি।”

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “এই পর্যন্ত হতাহতের খবর খুব বেশি পাওয়া যায়নি। আমরা অফিসিয়ালি ২ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করেছি। সংবাদ মাধ্যমে চারজনের মৃত্যুর কথা বলা হয়েছে। আর ৩০ জনের মতো আহত হয়েছে। চার থেকে ৫ হাজার ঘরবাড়ি আংশিক বিধ্বস্ত হয়েছে। এটাই ছিল আমাদের ক্ষয়ক্ষতির খবর।”

এর আগে রোববার (১০ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আবহাওয়াবিদ ও পরিচালক শামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, বুলবুল আর ঘূর্ণিঝড় নেই। সেটি এখন গভীর স্থলনিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। বুলবুল এখন বাগেরহাট, পটুয়াখালী এবং বরিশাল অঞ্চলে অবস্থান করছে।

তবে এর পরের গতিপথে দুইটি ঘটনা ঘটতে পারে। আরও দুর্বল হয়ে সেটি উত্তর-পূর্বাঞ্চল হয়ে ত্রিপুরা-আসাম চলে যাবে। এতে ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। অথবা বাংলাদেশের ভেতরেই এটি নিঃশেষ হয়ে যাবে।

এমবি