দেশের বিরাজমান পরিস্থিতিতে আইন শৃংখলাবাহিনীর কর্তাদের উক্ত পাড়ার মাস্তানদের মতো মনে হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড.আসিফ নজরুল।
তিনি বলেন, আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের কার্যকলাপ দেখে মনে হয় তারা পাড়া মহল্লার মাস্তান হয়ে গেছেন। আর তাদের বক্তব্য শুনে মনে হয় তারা মাস্তানদের চাইতেও বড়।
তিনি তাদেরকে প্রশ্ন করে বলেন, আপনারা যাদের বুকে গুলি চালাচ্ছেন, তাদেরকে কি প্রেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করার সময় মারছেন? এসময় তিনি একটি পত্রিকার প্রতিবেদন ঘটনা উল্রেখ করে বলেন, একজন বিএনপির কর্মী তার স্ত্রীর প্রসব বেদনায় কাতরতা দেখে ডাক্তার আনতে যায় আর এসময় পুলিশ তাকে আটক করে গুলি করে হত্যা করে। এই হলো আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের কাজ।
তিনি বলেন, দেশের নিরিহ ও সাধারণ মানুষদেরকে বুক ও হাটুতে এভাবেই গুলি করে মারা হচ্ছে । আইন শৃংখলা বাহিনীর কর্তাদের বিচার শুধু দেশের মাটিতেই নয়। বিদেশের মাটিতেও করা যেতে পারে।
তিনি সবার উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদের দলে ক্ষমতায় আসলে এই জগন্ন মানবতাবিরোধী অপরাধের কথা ভুলে যাবেন না। আইনশৃংখলা বাহিনীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা ইউনিফর্ম পরেন,আমাদের জনগনের করের টাকায়, উপযুক্ত সময় আসলে আপনাদের বিচার অবশ্যই হবে।
তিনি সুপ্রিমকোর্ট বারকে পত্রিকার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সারাদেশের চলমান বিচার বহি:ভুত হত্যা কাণ্ডের একটি নির্দলীয় তদন্ত কমিটি গঠন করার আহবান জানান।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সুপ্রিমকোর্ট বার মিলনায়তনে সুপ্রিমকার্ট বারের উদ্দ্যোগে সংবিধান,আইনের শাসন এবং মন্ত্রী ও আইনশৃংখলা বাহিনী রক্ষাকারি বাহিনীর পদধারী ব্যাক্তি বর্গের আইন ভংগের উস্কানী: আইনগত ও নাগরিক ভাবনা শীর্ষকএক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সুপ্রিমকোর্ট বারের সভাপতি ও বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইজচেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খন্কার মাহবুব হোসেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন বারের সম্পাদক ব্যারিষ্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, সাবেক সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন,সহ-সভাপতি ড. রফিকুল ইসলাম মেহেদী,সহ-সম্পাদক নাসরিক আকতার, একেএম রেজাউল করিম, সাবেক সহ-সভাপতি ওয়ালিউর রহমান, অ্যাডভোকেট আবেদ রাজা, আকতারুজ্জামান, অ্যাডভোকেট জামিল আকতার এলাহি,ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, মির্জা আল মাহমুদ প্রমুখ।
একে/এসএইচ





