কুমিল্লার লাঙ্গলকোটে সেনা সদস্য আবদুর রহমান (৩০) হত্যা মামলায় চার জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত প্রত্যেক আসামিকে ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়।

এছাড়া এক আসামিকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (০৮ জানুয়ারি) কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক রোজিনা খান এই রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা আদালতে উপস্থিত থাকলেও পলাতক ছিলেন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি।

নিহত ওই সেনা সদস্যের বাড়ি চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার মদনেরগাঁও গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের মফিজুর রহমানের ছেলে।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) অ্যাডভোকেট শেখ মাসুদ ইকবাল মজুমদার রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার চম্পকনগর গ্রামের মৃত রুহুল আমিনের ছেলে সিরাজুল ইসলাম, চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার মৌলভীপাড়া ইস্কান্দর বাড়ির রফিক মিয়ার ছেলে নয়ন মিয়া ওরফে জনি, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়ার উজ্জ্বল মিয়া ও হবিগঞ্জের প্রদীপ দাস। এছাড়া ১০ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হচ্ছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাসিন্দা আলী আক্কাছ।

জানা যায়, ২০১৬ সালের ২১ অক্টোবর চলন্ত ট্রেনে অজ্ঞাতনামা ডাকাতদের নির্মম ছুরিকাঘাতে বগুড়া সেনানিবাসের ওয়ান সিগ্যনাল ব্যাটেলিয়ান সদস্য আব্দুর রহমান (৩০) নিহত হন। ওইদিন সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের নাঙ্গলকোট রেলস্টেশনের অদূরে গোত্রশাল নামক স্থানে ডাবল রেললাইনের মাঝখান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে লাকসাম রেলওয়ে থানা পুলিশ। এই ঘটনায় মফিজুর রহমান বাদী হয়ে পরদিন লাকসাম রেলওয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এমবি