২৩ মার্চের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থীর সর্মথকের মধ্যে দফায় দফায় সংর্ঘষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে বলে জানাগেছে।
বৃহস্পতিবার চিতলমারী উপজেলার বড়বাড়িয়া এলাকায় ওহিদুজ্জামান পান্না ও মুজিবর রহমান গ্রুপের মধ্যে এ সংর্ঘষের ঘটনা ঘটে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মুজিবর রহমান তার সমর্থকদের নিয়ে চিতলমারী উপজেলার বড়বাড়িয়া এলাকায় প্রতিদ্বন্দ্বী অপর চেয়ারম্যান প্রাথী ওহিদুজ্জামান পান্নার নির্বাচনী অফিসের সামনে দিয়ে যাচ্ছিল।
এ সময় তারা ওহিদুজ্জামান পান্না নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুরসহ তার কর্মী আবু তালেব (৩৫) মহি খানসহ বেশকজনকে মারপিট করে আহত করে।
এক পর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে সংর্ঘষ বেঁধে গেলে ইভয় পক্ষ ধারালো অস্ত্র লাঠি-সোটা ব্যবহার করে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে।
চিতলমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দিলীপ কুমার সরকার জানান, আওয়ামী লীগ নেতা খসরু আহমেদ ও বড়বাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী ওহিদুজ্জামান পান্নার সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তারা দু'জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে। এ অবস্থায় খসরু আহমেদ আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে পান্নার প্রতিপক্ষ মুজিবর রহমানের পক্ষ নিয়ে এলাকায় কাজ করায় ওই এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু'পক্ষের মধ্যে সংর্ঘষ বাঁধে।
পুলিশ সুপার মো. নিজামুল হক মোল্লা জানান, চিতলমারীর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পরিবেশ শান্ত রাখতে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে বলে জানান তিনি।
ঢাকা, ২০ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম)//এসআর