জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন এজেন্ডায় বার্ধক্য ইস্যুটি গুরুত্বের সাথে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য জাতিসংঘ সংশ্লিষ্ট সকল মহলকে উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ প্রবীণ হিতৈষী সংঘ ও জরা বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠান, বাংলাদেশ জেরোনটোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএ) এবং এজিং সাপোর্ট ফোরাম।
জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে শুক্রবার দুপুরে ‘প্রবীণদের প্রতি অসদাচরণ এবং আমাদের করণীয়’শীর্ষক এক সেমিনারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. রবিউল ইসলাম এ আহ্বান জানান।
রবিউল ইসলাম বলেন, জাতিসংঘ বার্ধক্যকে মানবজীবনের প্রধানতম চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে এ সমস্যা সম্পর্কে ব্যাপক গণসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ১৯৯১ সাল থেকে প্রতি বছর ১ অক্টোবর বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালন করে আসছে। ২০১৩ সালে এ দিবসের মূল প্রতিপাদ্য ছিল প্রবীণের প্রত্যাশায় আমাদের ভবিষ্যৎ।
তিনি আরো বলেন, জাতীয় পর্যায়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে উদ্বেগজনক এবং বিস্ফোরন্মুখ অবস্থা হল বার্ধক্য। অথচ আমরা বহুকাল ধরে এ বিষয়ে খুবই অসচেতন, উদাসীন ও নিষ্ক্রিয়। বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নয়নের ঢেউ বাংলাদেশেও মানুষের গড় আয়ুষ্কালে এনেছে এক অভাবনীয় পরিবর্তন।
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ব্যবসায় ও অর্থনীতি অনুষদের সহযোগী অধ্যাপক মাসুদ ইবনে রহমান বলেন, বিশ্বায়নের এ যুগে যৌথ পরিবার ভেঙ্গে তৈরি হচ্ছে একক পরিবার। এতে করে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ ও দুর্ভোগে পড়ছেন প্রবীণরা। প্রযুক্তি নির্ভর এ সমাজ ব্যবস্থায় দিন দিন বাড়ছে নবীণ ও প্রবীণ প্রজন্মের মধ্যে মানসিক দুরত্ব। আমরা সকলে চাইলেই এ দুরত্ব দুর করতে পারি।
সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্য কাজী রিয়াজুল হক, বাংলাদেশের জরাবিজ্ঞানী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. এএসএম আতীকুর রহমান, পরিচালক অধ্যাপক ড. নুরুল ইসলাম, বাংলাদেশ প্রবীণ হিতৈষী সংঘের সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম প্রমুখ।
ঢাকা,১৩ জুন(টাইমনিউজবিডি.কম)//এনএস





