জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ঈদ উল ফিতরের পাঁচটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃষ্টি উপেক্ষা করেই সকাল সাতটার আগেই প্রথম জামাতে অংশ নিতে রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মুসল্লিদের ঢল নামে।
প্রত্যেক জামাত শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। রমজান মাসের শিক্ষা কাজে লাগিয়ে সারা বছর চলার দোয়া করেন খতিব।
শনিবার (১৮ জুলাই) সকাল সাতটায় প্রথম জামাতের পর সকাল আটটায় দ্বিতীয়, নয়টায় তৃতীয়, দশটায় চতুর্থ ও সবশেষ বেলা ১০টা ৪৫ মিনিটে পঞ্চম এবং সবশেষ জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
তৃতীয় জামাতে অংশ নেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু।

সকাল সাতটায় অনুষ্ঠিত প্রথম জামাতে ঈমাম ছিলেন বায়তুল মোকাররমের পেশ ঈমাম মুফতি মুহিবুল্লাহিল বাকী নদভী।
সকাল আটটায় দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করেন পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা এহসানুল হক।
তৃতীয় জামাতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সহকারী পরিচালক হাফেজ মাওলানা মোস্তাফিজুর রহমান, চতুর্থ জামাতে বায়তুল মোকাররমের পেশ ঈমাম হাফেজ মাওলানা মহিউদ্দীন কাশেমী এবং পঞ্চম জামাতে ঈমাম ছিলেন বায়তুল মোকাররমের মুফতি মোহাম্মদ আবদুল্লাহ।
সকালে বৃষ্টি উপেক্ষা করেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত মুসল্লিরা ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায়ে শরিক হন জাতীয় মসজিদে।
নামাজ শেষে কোলাকুলি করে নিজেদের মধ্যে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন মুসল্লিরা।
নামাজ শেষে দান খয়রাত করেন মুসল্লিরা। মসজিদের সামনে ছিল বিপুল সংখ্যক ভিক্ষুক ও ছিন্নমূল মানুষ।
ঈদের জামাত ঘিরে র্যাব পুলিশসহ গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা ছিলেন তৎপর।
এমকে





