কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে ইয়াবাসহ আটক করা হয়েছে শর্টফিল্ম নির্মাতা-র্যাম্প মডেল কান্তা আক্তার স্বপ্নাকে। তার কাছ থেকে এসময় ২শ’ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। বুধবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪ টার দিকে তাকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে (১৩ সেপ্টেম্বর) তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়া হয়।
পুলিশ জানায়, শুটিংয়ের আড়ালে নিয়মিত ইয়াবা ও দেহ ব্যবসা করতেন কান্তা। ইয়াবাসহ ধরা খাওয়ার পর তার নামে এসব তথ্য বেরিয়ে আসে। কক্সবাজারের একটি হোটেলের সিসিটিভিতে তাকে প্রেমিকসহ ২৫ আগস্ট রাতে আসা যাওয়া করতে দেখা যায়। ওই রুমটিতে কান্তার আগে আরেকজন যুবককে একজন নারীর সঙ্গে বেরিয়ে যেতে দেখা যায় সিসিটিভিতে। হোটেল কর্তৃপক্ষ জানায় ওই জুটি বিল পরিশোধ না করেই চলে গিয়েছিল। ওই ব্যক্তির নাম তৈমুর। ১১ সেপ্টেম্বরের আগে কান্তা 'সুজন' নামের আরেকজন প্রেমিকের সঙ্গে রাত কাটায়।
ইয়াবাসহ আটক করে জেলা মাদকদ্রব্য অফিসের চৌকস টিম। এ সময় তার কাছ থেকে নিজের নামে করা একটি ভুয়া পাসপোর্টের ফটোকপিসহ বেশ কিছু কাগজপত্র জব্দ করা হয়। এসময় আটককৃত ইয়াবার প্রশ্নে স্বপ্নাকে ইয়াবা ব্যবসায়ী হিসেবেই সন্দেহ করছে পুলিশ।
এ সময় তার কাছ থেকে নিজের নামে করা একটি ভুয়া পাসপোর্টের ফটোকপিসহ বেশ কিছু কাগজপত্র জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় মাদকদ্রব্য আইনে মামলা করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কক্সবাজার অফিসের ইন্সপেক্টর আব্দুল মালেক তালুকদার। মামলা নং-জিআর ৭৩৭।
জানা যায়, স্বপ্না একটি বেসরকারি বিমানের যাত্রী ছিল। ঢাকায় মোহাম্মদপুরে কলেজে লেখাপড়া করেন তিনি। তিনি ওই এলাকার মুহাম্মদ হাসানের মেয়ে এবং ঢাকা মোহাম্মদপুর স্কুল এন্ড কলেজের দ্বাদশ বাণিজ্য শাখার ছাত্রী বলে সে গ্রেফতারের দিনই সংবাদমাধ্যমকর্মীদের জানিয়েছিল।
স্বপ্না বিভিন্ন নাটকে অভিনয়ের কথা বলেছেন। এসময় তিনি শাহজাহান সম্রাট, নুরে আলম আতিকসহ বিভিন্ন নির্মাতার সঙ্গে কাজ করার কথা বলেন। তবে এসব নাটকে তার কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
এসএম





