উপমহাদেশের বরেণ্য সঙ্গীতশিল্পী ফিরোজা বেগমের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বুধবার। ২০১৪ সালের এই দিনে রাজধানীর এ্যাপোলো হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

এই গুনী শিল্পীর সঙ্গীতের সব শাখাতেই বিচরণ করেছেন সফলভাবে। তবে নজরুলের গানের প্রসঙ্গ এলে তার নামটি বেশী উজ্জ্বল হয়ে উঠে। তাকে নজরুলের বুলবুলিও বলা হয়।

১৯৩০ সালের ২৮ জুলাই ফরিদপুরের গোপালগঞ্জ মহকুমার (বর্তমান জেলা) রাতইল ঘোনাপাড়া গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত জমিদার পরিবারে জন্মেছিলেন ফিরোজা বেগম। তার বাবার নাম খান বাহাদুর মোহাম্মদ ইসমাইল এবং মায়ের নাম বেগম কওকাবুন্নেসা। ১৯৫৫ সালে সুরকার কমল দাশগুপ্তর সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তাদের তিন সন্তান তাহসিন, হামিন আহমেদ ও শাফিন আহমেদ।

১৯৪২ সালে ১২ বছর বয়সে বিখ্যাত গ্রামোফোন কোম্পানি থেকে ইসলামী গান নিয়ে ফিরোজা বেগমের প্রথম রেকর্ড বের হয়। কিছুদিন পর কমল দাশগুপ্তের তত্ত্বাবধানে উর্দু গানের রেকর্ড হয়। এ রেকর্ডের গান ছিল- ‘ম্যায় প্রেম ভরে, প্রীত ভরে শুনাউ’ আর ‘প্রীত শিখানে আয়া’। নজরুলের গান নিয়ে তার প্রথম রেকর্ড বের হয় ১৯৪৯ সালে।

এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য পুরস্কার হলো— স্বাধীনতা পদক, একুশে পদক, নেতাজী সুভাষ চন্দ্র পুরস্কার, সত্যজিৎ রায় পুরস্কার, নাসিরউদ্দীন স্বর্ণপদক, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি স্বর্ণপদক, সেরা নজরুল সঙ্গীতশিল্পী পুরস্কার (একাধিকবার), নজরুল আকাদেমি পদক, চুরুলিয়া স্বর্ণপদক, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানসূচক ডিলিট, জাপানের অডিও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সিবিএস থেকে গোল্ড ডিস্ক, ২০১১ সালে মেরিল-প্রথম আলো আজীবন সম্মাননা পুরস্কার অর্জন করেন।

এআই