বসন্তপুর গ্রামের মুখেই সোনালী কাপড় দিয়ে সাজানো তোড়নে দেখা গেল মন্ত্রীর ছবি। পাশে লেখা ‘বিবাহিত জীবন মধুর ও সফল হোক’। এলাহীকাণ্ড না হলেও বিশাল আয়োজন। রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বিয়ের আয়োজন বলে কথা! আয়োজন চলছে কয়েকদিন ধরে ।
বরের আগমনী বার্তায় সরগরম হয়ে উঠেছে কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার কুটুম্বপুর গল্লই সড়ক। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুটুম্বপুর থেকে মিরাখলা গ্রামের কনেবাড়ি পর্যন্ত ছোট-বর সব বয়সী উৎসুক জনতাকে বরযাত্রীর গাড়ি বহর দেখার অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।
অপরদিকে, মন্ত্রীর বিয়ে ও আগমন নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন পুলিশ সদস্যরাও। মহাসড়কের কুটুম্বপুর ষ্টেশন থেকে মিরাখলায় বিয়ে বাড়ি পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে ট্রাফিক পুলিশ অতিথিদের পথ চেনাতে ও যানজট নিরসনে কাজ করছে।এছাড়া আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে পোশাকধারী ও সাদা পোশাকে সদস্যরা বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান নিয়েছেন।
কনেবাড়ি সূত্র জানায় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গসহ কনে পক্ষের আত্মীয়-স্বজনদের আপ্যায়ন শেষ । কনেবাড়ির ভেতরে গিয়ে দেখা যায়, বাহারী কাঁচা ফুলে সজ্জিত করা হয়েছে বরের মঞ্চ। অতিথিদের জন্য রান্নাবান্নাও শেষ। এদিকে, নববধূকে সাজাতে কুমিল্লা থেকে আসা অভিজ্ঞ বিউটিশিয়ানদের একটি দল বাড়িতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। কনের দূর সম্পর্কের নানা আব্দুর জব্বার মাস্টার বলেন, “আমাদের গ্রামের জামাই হচ্ছেন একজন মন্ত্রী, এটি আমাদের সৌভাগ্য।”
দুপুরের খাবারের তালিকায় খাসির কাচ্চি, মুরগীর রোস্ট, কোমল পানীয়, মিস্টান্ন, জর্দা এবং বোরহানী। রান্নার কাজ তদারক করছেন এলাকার নামকরা বাবুর্চি কুমিল্লা ক্লাবের মিল্টন রোজারিও।
জেআই





