জেলেদের জন্য ভিজিএফ ও বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য সরকারের বরাদ্দকৃত অর্থ বণ্টনে দূর্নীতির অভিযোগ করেছে, 'বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতি'।
বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের বর্ধিত হল রুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন সিকদার।
আনোয়ার হোসেন বলেন, 'প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে মৎস্য বিভাগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় দরিদ্র জেলেদের ভিজিএফ ও বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য প্রতি মাসে ৪০ কেজি চাল (৪ মাস) ও ১০ হাজার টাকা দেওয়ার দেওয়ার কথা থাকলেও সে নির্দেশ মানছে না। উক্ত মালামাল বিতরণে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, মেম্বর, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা চরম অনিয়ম করছে।’
তিনি বলেন, 'ফেব্রুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত চাল দেওয়ার কথা। জুন মাসে দুই মাসের ৮০ কেজি চাল দেওয়ার কথা থাকলেও জেলেদেরকে স্থানীয় চেয়ারম্যানরা ৫০-৬০ কেজি চাল দিচ্ছে।'
ক্ষতিগ্রস্থ জেলেদেরকে মৎস্য বিভাগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জাল বিতরণের কথা থাকলেও সেই জাল টেন্ডারের মাধ্যমে প্রতি কেজি ৩৫০ টাকা মূল্যে দিচ্ছে। জেলেরা ১০ হাজার টাকার পরিবর্তে পাচ্ছে ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা।
দরিদ্র জেলেদের সাহায্য যাতে ঠিক মতো পায় - তার যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন আনোয়ার হোসেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের কোষাধ্যক্ষ আনন্দ চন্দ্র বর্মণ, সদস্য মো. হারুন আকাশ প্রমুখ।
এমএ/জেডআই





