ঝালকাঠি সদর উপজেলার ছত্রকান্দা এলাকায় বরিশাল-খুলনা মহাসড়কে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১৭ জনের মধ্যে ১৬ জনের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আজ শনিবার (২২ জুলাই) রাতে সিভিল সার্জন ডা. এইচএম জহিরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে একই দিন সকাল সাড়ে ৯টায় এ ঘটনা ঘটে।

তারা হলেন, মেহেদীগঞ্জ উপজেলার রিপনের মেয়ে নিপামনি (১), রিপন হাওলাদারের স্ত্রী আইরিন আক্তার (২২) ও কাঠালিয়া এলাকার তৈয়বুর রহমানের মেয়ে সালমা আক্তার মিতা (৪২)। রাজাপুর উপজেলার নিজামিয়া গ্রামের মাও. নজরুল ইসলামের মেয়ে খুশবো আক্তার (১৭), বলাইবাড়ি এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে নয়ন (১৬)। ভান্ডারিয়া পৌরসভার মুজাফফর আলীর ছেলে সালাম মোল্লা (৬০), মৃত মাওলানা নজরুল ইসলামের খাদিজা বেগম (৪৩), পান্না মিয়ার ছেলে তারেক রহমান (৪৫)। উত্তর শিয়ালকাঠি গ্রামের মৃত ফজলুল হক মৃধার স্ত্রী রাবেয়া বেগম (৮০), মৃত. সালাম মোল্লার ছেলে শাহীন মোল্লা (২৫)। ভান্ডারিয়া উপজেলার পশারিবুনিয়া গ্রামের জালাল হাওলাদারের মেয়ে সুমাইয়া (৬), রিজাভ পুকুর পাড় এলাকার মৃত. লাল মিয়ার স্ত্রী রহিমা বেগম (৬০)। বাখরগঞ্জ উপজেলার চর বোয়ালিয়া গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে আবদুল্লাহ (৮), মৃত লাল মিয়া হাওলাদারের ছেলে আবুল কালাম হাওলাদার।

ডা. এইচএম জহিরুল ইসলাম বলেন, নিহত ১৭ জনের মধ্যে ১৬ জনের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। তাদের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ছাড়াও ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে ২৩ জন চিকিৎসা নিচ্ছেন।

ঝালকাঠি ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক ফিরোজ কুতুবী জানান, বিষয়টি জানার পর ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা গিয়ে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় উদ্ধার অভিযান শুরু করে। এখন পর্যন্ত ১৭ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে ৩০ জনকে। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা শঙ্কাজনক।

জেলা প্রশাসক ফারাহ গুল নিঝুম বলেন, আগামী তিন দিনের মধ্যে তদন্ত করে কমিটিকে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। তদন্ত কমিটিতে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মোহাম্মদ মামুন শিবলীকে প্রধান করা হয়েছে।

এবিএস