কিশোরগঞ্জে মাদক সেবনে বাধা দেয়ায় এক অটোরিকশা চালককে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামী জনি ও সাজনসহ ছয়জনকে আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার বিকালে জেলার মিঠামাইন উপজেলার গোপদীঘি গ্রাম থেকে জনি ও সাজন আটক করা হয়।
এর আগে এ ঘটনার মূল চার আসামীকে পালাতে সহায়তা করায় আরও চারজনকে আটক করা হয় বলে পুলিশের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।
বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার যশোদল ইউনিয়নের আমাটি শিবপুর এলাকায় মাদক সেবনে বাধা দেয়ায় এক অটোরিকশা চালককে হাত-পা ও চোখ বেঁধে পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।
দগ্ধ অটোরিকশা চালক শামীম ওই গ্রামের জাহাঙ্গির আলমের ছেলে। আশংকাজনক অবস্থায় তাকে কিশোরগঞ্জ জেলা হাসপাতাল থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে নেয়ার পথে রাত ১টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন বলেন, এ ঘটনার চার আসামীর মধ্যে জনি ও সাজনকে মিঠামাইন থানার গোপদীঘি গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি দুজনকে ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তিনি আরও জানান, মূল আসামীদের পালাতে সহায়তা করায় আরও চারজনকে আটক করা হয়েছে।
এলাকাবাসী জানায়, বুধবার বাড়ির পাশে একটি ফিশারিতে বসে মাদক সেবন করছিল আমাটি গ্রামের জনি, আল-আমিন ও শফিকসহ চার যুবক। এ সময় শামীম বাধা দিলে ওই চার যুবক তাকে মারধর করে।
এ ঘটনার জের ধরে রাতে অটোরিকশা চালক শামীম শহর থেকে বাড়ি ফেরার পথে জনি, আল-আমিন ও শফিক তাকে আমাটি গ্রামের কাছে একটি ফিশারিতে ধরে নিয়ে যায়। এ সময় তারা তাকে মারধর করে হাত-পা ও চোখ বেঁধে পেট্রোল ঢেলে গায়ে আগুন ধরিয়ে দেয়।
পরে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতলে নিয়ে যায়।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শামীমের শরীরের ৮০ ভাগ অংশ পুড়ে গেছে।
জেআই





