জয়পুরহাট জেলায় গতকাল শুক্রবার হালকা বৃষ্টিপাত হলেও শীত ও ঠাণ্ডা ততটা ছিল না। কিন্তু একদিন পরই আজ শনিবার ভোররাত থেকে ঘন কুয়াশা শুরু হওয়ার পর উত্তরাঞ্চলের সীমান্ত জেলা জয়পুরহাটে শীতের তীব্রতা গত কয়েকদিনের চেয়ে বেড়েছে। আকাশ মেঘে ঢাকা ও কুয়াশাচ্ছন্ন থাকায় সকাল থেকে সূর্যের মুখ দেখা যায়নি।
ঘন কুয়াশার কারণে আলু প্রধান জেলা- হিসেবে খ্যাত জয়পুরহাটের চাষিরা তাদের ক্ষেতের আলু নিয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।
শীত বাড়লেও জীবিকার তাগিদে কর্মমুখী মানুষকে এর মধ্যেই করতে হচ্ছে তাদের দৈনন্দিন কাজকর্ম। তবে দরিদ্র ও স্বল্প আয়ের মানুষ পড়েছে চরম দুর্ভোগে। এ অবস্থায় মাঠে ঘাটে কাজ করা দিনমজুর ও শ্রমিক শ্রেণির মানুষেরা কর্মহীন হয়ে পড়েছেন।
এ দিকে শীতের তীব্রতায় ঠাণ্ডাজনিত রোগের প্রকোপও বাড়ছে। সরকারি হাসপাতাল ও প্রাইভেট ক্লিনিকগুলোতে ঠাণ্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বয়স্করা।
সরকারি ও কিছু কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠান জেলার বিভিন্ন এলাকায় শীতার্তদের মধ্যে সীমিত আকারে কম্বল ও অন্যান্য শীতবস্ত্র প্রদান করলেও প্রয়োজনের তুলনায় তা অপ্রতুল। প্রয়োজনীয় শীতবস্ত্রের অভাবে সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাচ্ছেন হতদরিদ্র ছিন্নমূল মানুষ। শীতের তীব্রতায় বেড়ে গেছে পুরোনো ও স্বল্পমূল্যের শীতবস্ত্রের বেচাকেনা ।
এমআর





