অনেক মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রী আছেন তারা শুধুমাত্র ল্যাম্পপোষ্ট, তারা কেউ মুক্তিযোদ্ধা নন। অতীতে মুক্তিযোদ্ধা সংসদে অনেক নেতারা মুক্তিযোদ্ধা না হয়েও ভুয়া সার্টিফিকেট নিয়ে নেতা নির্বাচিত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নেতারা।
রবিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ২০১৪ নির্বাচনে মেজর অব. জিয়াউদ্দিন-মনিরুল হক পরিষদের প্রার্থী পরিচিতি সভায় বক্তারা এসব অভিযোগ করেন।
বক্তারা বলেন, এ দেশে যে সরকারই ক্ষমতায় এসেছে তারাই ‍মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিকৃত করেছে এবং যারা নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, তারা বিভিন্ন সময় সংগঠনের অর্থ আত্মসাত করেছেন।
বক্তরা বলেন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদে অতীতে পাকিস্তানের আর্মিতে চাকুরী করা সৈনিকের পুত্র মুক্তিযোদ্ধার পুত্র হিসেবে সুবিধা পেয়েছে। মিথ্যা অজুহাতে হাজার হাজার মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করা হলেও সে সময়কার মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নেতারা কোন প্রতিবাদ করেননি। যারা প্রতিবাদ করেননি তাদের রাস্তায় ল্যাম্পপোষ্ট ধরে দাড়িয়ে থাকা উচিৎ।
এ সময়  নেতারা অভিযোগ তুলে বলেন, কেউ ৩০ টাকায় মুক্তিযোদ্ধার আইডি কার্ড ১৫০ টাকায় বিক্রি করেছেন, কেউ সংগঠনের নামে জেলা কমান্ডারদের প্রদত্ত টাকার অর্ধেক কেটে নিজ পকেটে ঢুকিয়েছেন। কেউ ক্রিড়া চক্রের টাকা আত্মসাৎ করে হিসাব দেন নাই। তারা স্বার্থান্বেষী দেশ ও জাতির শত্রু।
সভায় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংসদের আসন্ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মেজর (অব.) জিয়াউদ্দিন।
বক্তব্য রাখেন সেক্টর কমান্ডার আবুল কালাম আজাদ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের মহাসচিব (প্রশাসন) প্রার্থী মনিরুল হক, ক্যাপ্টেন (অব.) শচিন কর্মকার, মহাসচিব (কল্যাণ ও পূনর্বাসন) নাজমুল হাসান পাখি, হাফিজুর রহমান প্রমুখ।
আগামী ৪জুন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ২০১৪ সেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে ১৬৯জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
[b]ঢাকা, ১১ মে (টাইমনিউজবিডি.কম)//এএইচ[/b]