গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র অধ্যাপক এমএ মান্নানকে আরেকটি মামলায় শ্যোন অ্যারেস্টের (গ্রেপ্তার) আদেশ দিয়েছেন আদালত।

গাজীপুর আদালতের পরিদর্শক মো. রবিউল ইসলাম বৃহস্পতিবার বলেন, জয়দেবপুর থানায় দায়ের হওয়া একটি মামলায় অধ্যাপক এমএ মান্নানকে গ্রেপ্তারের জন্য বুধবার গাজীপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল হাইয়ের আদালতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই জহিরুল ইসলাম। পরে আদালতের বিচারক অধ্যাপক এমএ মান্নানকে গ্রেপ্তারের আদেশ দেন।

২০১৫ সালের ২৭ জানুয়ারি গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ভূরুলিয়া এলাকায় ২০-২৫ জামায়াত-শিবির নেতাকর্মী নাশকতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বৈঠক করছিল। সেখানে অভিযান চালিয়ে জেলা জামায়াতের আমির আবুল হাসেম খান এবং মহানগর জামায়াতের অর্থ সম্পাদক হাবিবুল্লাহ মিয়াকে ১০টি পেট্রোলবোমাসহ আটক করে পুলিশ। বাকিরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় এসআই মো. মনির হোসেন বাদী হয়ে ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১০-১৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

অধ্যাপক মান্নানের আইজীবী মঞ্জুর মোর্শেদ প্রিন্স জানান, এই মামলা নিয়ে অধ্যাপক এমএ মান্নানের বিরুদ্ধে ২৬টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে দুদুকের ২৫টি মামলায় তিনি জামিনে রয়েছেন।

প্রসঙ্গত, গাজীপুরে বাসে পেট্রোলবোমা হামলার মামলায় গত বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় মেয়র এম এ মান্নানকে তার ঢাকার বারিধারার বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়ার পর ওই বছরের ১৯ আগস্ট স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে। গ্রেপ্তারের পর থেকে ভারপ্রাপ্ত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন প্যানেল মেয়র আসাদুর রহমান কিরণ।

এদিকে গত ২ মার্চ এম এ মান্নান জামিনে মুক্তি পান। পরে গত ১৫ এপ্রিল রাতে গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তায় একটি বাসে অগ্নিসংযোগের মামলায় কালিয়াকৈরের মৌচাক এলাকা থেকে অধ্যাপক এমএ মান্নানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরের দিন তাকে গাজীপুরের আদালতে হাজির করা হলে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। বর্তমানে তিনি গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে বন্দি রয়েছেন।

এমএনজে