ভালো কাজের প্রলোভনে ভারতে পাচার হওয়া ২৮ বাংলাদেশি নারী-শিশুকে উদ্ধারের ৩ বছর পর ফেরত পাঠাচ্ছে ভারত সরকার।
বুধবার (০৭ জুন) বিকেলে ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ তাদেরকে ট্রাভেল পারমিট প্রক্রিয়ায় বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে তুলে দেবে।
পরে আনুষ্ঠানিকতা শেষে পুলিশের কাছ থেকে বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতি ২২ জনকে ও রাইটস যশোর ৬ জনকে গ্রহণ করবে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এ ২৮ জনকে নিজ নিজ পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেবেন এনজিও কর্মকর্তারা।
পাচার ২৮ জনের বাড়ি যশোর, নড়াইল, খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, বরিশাল, ঢাকা, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন এলাকায়।
জানা যায়, সংসারে অভাব অনটনের কারণে ২ থেকে ৩ বছর আগে পাচার হওয়া এসব নারীরা ভালো কাজের আশায় দালালের খপ্পড়ে পরে সীমান্ত পথে ভারতে যায় তারা। পরে দালাল চক্র তাদের ভালো কাজের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে বিভিন্ন ঝুঁকির্পূণ ও অসামাজিক কাজে লিপ্ত হতে বাধ্য করে।
খবর পেয়ে ভারতীয় পুলিশ মুম্বাই শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে এসব নারীদের উদ্ধার করে আদালতে পাঠায়। সেখান থেকে রেসকিউ ফাউন্ডেশন নামে ভারতের একটি এনজিও তাদেরকে আদালত থেকে ছাড়িয়ে নিজেদের শেল্টার হোমে রাখে। পরবর্তীতে দু’দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যোগাযোগে ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে তাদের নিজ দেশে ফেরার ব্যবস্থা হয়।
বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতি যশোর শাখার সমন্বয়কারী কর্মকর্তা অ্যাডভোকেট ছালমা খাতুন ও রাইটস যশোরের তথ্য ও অনুসন্ধান কর্মকর্তা তৌফিকুজ্জামান ২৮ নারী-শিশু ফেরত আসার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলে, তারা (পাচার হওয়া) এরইমধ্যে মুম্বাই শহর থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছে। পাচারের শিকার নারীরা পাচারকারীদের নামে মামলা করতে চাইলে তাদেরকে আইনি সহায়তা দেওয়া হবে।
এমই/নাছির





