উত্তরবঙ্গ এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগের তিনটি মহাসড়কে যানবাহনের বাড়তি চাপ দেখা দিয়েছে। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ঈদে ঘরমুখো মানুষের কারণে বাড়তি যানবাহনের চাপ সৃষ্টি হয়েছে। এতে মহাসড়কে যানবাহনের লম্বা সারি দেখা গেছে। কয়েকটি পয়েন্টে দেখা দিয়েছে থেমে থেমে যানজট। ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নবীনগর পর্যন্ত যানবাহন ধীর গতিতে চলছে।

শুক্রবার (২৩ জুন) সকাল থেকে ঘরমুখো মানুষের চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় যানবহনের সংকটও দেখা যাচ্ছে বাসস্ট্যান্ডগুলোতে।

সাভার ট্রাফিকের পরিদর্শক আবুল হোসেন জানান, সকাল ছয়টা থেকে আটটা পর্যন্ত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, বিশমাইল, সাভার সেনানিবাস এলাকায় তিনটি যানবাহন বিকল হয়। এ কারণে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া শুক্রবার ভোর থেকে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। ফলে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের নবীনগর ত্রিমোড় এলাকায় ঢাকা থেকে বেরিয়ে যাওয়া যানবাহনের দীর্ঘ লাইন দেখা দিয়েছে। নবীনগর ত্রিমোড় থেকে জাহাঙ্গীনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রান্তিক গেট পর্যন্ত কয়েক কিলোমিটার এলাকায় যানবাহনগুলোকে অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বিকল্প সড়ক আবদুল্লাহপুর বাইপাইলে যানজট নেই।

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গী থেকে গাজীপুরের ভোগড়া পর্যন্ত যানবাহনের ধীর গতি রয়েছে। সেখানে থেমে থেমে গাড়ি চলছে। তবে কোথাও দীর্ঘ যানজট নেই।

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রার মোড়ে সকালে যানজট ছিল না। গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার খাড়াজোড়া থেকে বুটগড় এলাকা দিয়ে যানবাহন ধীর গতিতে চলছে। চন্দ্রা ও আশপাশের বাসস্ট্যান্ডগুলোতে ভোর থেকে শত শত যাত্রী যানবাহনের অপেক্ষায় রয়েছেন। 

কোনাবাড়ী হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হোসেন সরকার জানান, গতকাল বৃহস্পতিবারের মতো আজ সকালেও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক। কোনাবাড়ি, চন্দ্রার পর কিছু এলাকায় ধীর গতিতে যান চলছে। গাড়ির বেশি চাপের কারণে এমনটা হয়েছে বলে জানান তিনি।

এমই