সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গনে স্থাপিত ভাস্কর্য (গ্রিক দেবীর মূর্তি) সরিয়ে নেয়ার প্রতিবাদে সুপ্রিমকোর্টের সামনের সড়কে পুলিশের সঙ্গে বামপন্থি ছাত্র সংগঠনের থেমে থেমে ব্যাপক সংঘর্ষ চলছে।
এরই মধ্যে সংঘর্ষে আহত হয়েছেন অন্তত পাঁচজন। ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক লিটন নন্দীসহ দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে এ সংঘর্ষ শুরু হয়। এখন থেমে থেমে দু'গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ চলছে।
জানা গেছে, পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বামপন্থি ছাত্র সংগঠনগুলো শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করে। তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দোয়েল চত্ত্বর থেকে একটি প্রতিবাদ মিছিল নিয়ে সুপ্রিমকোর্টের মূল ফটকের দিকে আসতে থাকে।
পরে সেখানে পৌঁছলে পুলিশ বিক্ষোভকারীদে আদালতের ভেতরে প্রবেশে বাধা দেয়। এতে প্রগতিশীল ছাত্রসংগঠনগুলো সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায়। এসময় পুলিশ টিয়ারশেল, রাবার বুলেট ও জলকামান ব্যবহার করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙের চেষ্টা করে।
এদিকে বিক্ষোভকারীরা সড়কে আগুন জ্বালিয়ে এর প্রতিবাদ জানায়। পুলিশ দাবি করেছে, আদালতের নিরাপত্তা বজায় রাখতে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারশেল ও জলকামান ব্যবহার করা হয়েছে।
শনিবার বিক্ষোভ ঘোষণা:
এদিকে সুপ্রিমকোর্ট চত্বর থেকে ভাস্কর্য সরানোর প্রতিবাদে শনিবার বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছে বামপন্থি ছাত্র সংগঠনগুলোসহ সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট।
সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুস গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ন্যায়বিচারের প্রতীক হিসেবে স্থাপিত ভাস্কর্যটি সরানোর ঘটনায় আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। এর প্রতিবাদে শনিবার বিকেল ৫টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিক্ষোভ সমাবেশ করবে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট।’
সুপ্রিম কোর্ট চত্বর থেকে ভাস্কর্য সরানোর সময় রাতভর আদালতের ফটকের সামনে বিক্ষোভ করেছেন বিভিন্ন প্রগতিশীল রাজনৈতিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।
এমএনজে





