বাংলাদেশে ২০৩৫ সালের মধ্যে জীবিত জন্মানো শিশুর মৃত্যুর হার প্রতি হাজারে ২০ জনে নামিয়ে আনা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালিক।
সোমবার দশম জাতীয় সংসদের অষ্টম অধিবেশনে চট্রগ্রাম-১১ আসনের সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পক্ষে এ কথা জানান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সে সময় সংসদে অনুপস্থিত ছিলেন।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘২০১৪ সালে প্রকাশিত বিডিএইচএস সার্ভে রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশে ০-৫ বছর বয়সি শিশু মৃত্যুর হার প্রতি হাজারে ৪৬ জন, যা ১৯৯০ সালে ছিল ১৩৩ জন। সে অনুযায়ী, শিশু মৃত্যুর হার ৭৩ শতাংশ কমেছে।
২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী শিশু মৃত্যুর হার প্রতি হাজারে ২৫ জনে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। সে লক্ষ্যে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় কাজ করে যাচ্ছে।’
সংরক্ষিত নারী আসন-৩০ এর ফজিলাতুন নেসা বাপ্পির অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন,‘দেশে বৈধ লাইসেন্সপ্রাপ্ত ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সংখ্যা ৯ হাজার ১৭টি।’
বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিচালনার বিষয়ে ১৯৮২ সালের দ্য মেডিক্যাল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিকস অ্যান্ড ল্যাবরেটরিস রেগুলেশন (অর্ডিন্যান্স) নীতিমালা বহাল আছে।
ফেনী-২ আসনের নিজাম উদ্দিন হাজারীর প্রশ্নের উত্তরে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন,‘ওষুধ শিল্পে গুড ম্যানুফ্যাকচারিং প্র্যাকটিস (জিএমপি) অনুশীলনে অগ্রগতি এবং উৎপাদিত ওষুধ আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন হওয়ায় বর্তমানে দেশে উৎপাদিত বিভিন্ন প্রকার ওষুধ ও এর কাঁচামাল যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ ১০২টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে।
এর ফলে বাংলাদেশ ওষুধ আমদানিকারক দেশের পরিবর্তে রপ্তানিকারক দেশের গৌরব অর্জন করেছে। দেশীয় চাহিদার শতকরা প্রায় ৯৭ ভাগেরও বেশি ওষুধ বর্তমানে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত হয়।’
এসএইচ





