বেনাপোল শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের (বুরুজ বাগান) কবিরাজ কামরুল সেচ্ছাচারিতা ও অনিয়মে ডুবে থাকলেও স্বাস্থ্য প্রশাসন তার টিকিটিও ছুতে পারছেনা। তার খুটির জোর কোথায় এ প্রশ্ন দেখা দিয়েছে এলাকাবাসীর মাঝে।
কবিরাজ কামরুল ২০০৪ সালে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে (বুরুজ বাগান) হারবাল সহকারী (গার্ডেনার) হিসাবে যোগদান করে। যোগদানের পর থেকে কবিরাজ কামরুল অনিয়ম করে আসছে। তদারকির কেউ না থাকায় সারাদিন শুয়ে বসে কাটিয়েছে এ যাবদকাল। ২০১৪সালের প্রথম দিকে স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ফার্মাশিষ্টের পদ শুন্য হয়ে পড়ে। ঐ সময় থেকে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নাসির উদ্দিনের নির্দেষে কবিরাজ কামরুল ফার্মাষ্টির দায়িত্ব পালন করে আসছে।
নাম না প্রকাশের শর্তে হাসপাতালের এক কর্মকর্তা আমাদের প্রতিবেদককে বলেন, এখানে যোগদানের পর থেকে স্থানীয় প্রভাবশালীদের সাথে কামরুল সখ্যতা গড়ে তোলে। হাজারো অনিয়ম করলেও স্থাস্থ্য প্রশাসন তাকে কিছুই বলেন না। কারন একটাই স্থানীয় কিছু বখাটে যুবকদের সাথে তার রয়েছে গভীর সখ্যতা। তার অনিয়মের ব্যাপারে কোন কর্মকর্তা কিছু বলতে গেলে উক্ত বখাটেরা ঐ কর্মকর্তাকে হুমকি প্রদান করে বলে অবিযোগ রয়েছে।
এ ছাড়া গার্ডেনার হিসাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত কামরুল প্রায় ২বছর ধরে ফার্মাশিষ্টের দায়িত্ব পালন করে আসছে। অনঅভিজ্ঞ এক চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারীকে দিয়ে ফার্মাশিষ্টের দায়িত্ব পালন করানোয় রোগীরাসহ এলাকাবাসী দ্ধুদ্ধ হয়ে উঠছে। তারপরেও তার অনিয়ম ও সেচ্ছাচারিতার ফলে এলাকাসীকে আরো ক্ষুদ্ধ করে তুলেছে।
অপর একটি সুত্র জানায়, হাসপাতালের ঔষধ চুরি করে অন্যন্ত্র বিক্রি করার অভিযোগ থাকলেও স্বাস্থ্য কেন্দ্রের কর্মকর্তা তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি।
শনিবার বহির্বিভাগে আসা রোগী ছোনিয়া খাতুন জানান, সকাল ৯টায় টিকিট কেটে ডাক্তারের ব্যবস্থা পত্র নিয়েছি। বহির্বিভাগে দেঢ় ঘন্টা অপেক্ষা করলেও ফামাশিষ্টের কোন কোজ পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে সাকাল ১০টা ৪০মিনিটে বহির্বিভাগে খোজ নিতে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি। স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নাসির উদ্দিনকে বিষয়টি জানালে তিনি ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাষ দেয়।
এসএইচ





