শিল নোড়া দিয়ে মাথায় আঘাত করে গৃহবধূ রহিমাকে (৩০) হত্যার পর লাশ গুম করার সময় সতীনসহ ৩ জনকে আটক করা হয়েছে।
রোববার বিকালে যশোরের চৌগাছা উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামে থেকে এলাকাবাসী তাদের আটক করে পুলিশে দিয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের শিকার গৃহবধূ রহিমা চৌগাছা উপজেলার হুদা হাজিপুর গ্রামের জহুরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী। ২ স্ত্রীসহ জহুরুল ইসলাম যশোর সদরের বারীনগরে বসবাস করতেন। শনিবার গভীর রাতে বারীনগরের বাড়িতে রহিমাকে খুন করা হয়।
আটক ৩ জন হচ্ছেন- নিহত রহিমার সতীন ফাতেমাতুজ্জোহরা, তার ভাই বারীনগর গ্রামের মৃত রবিউল ইসলামের ছেলে রেজানুল ইসলাম এবং থ্রি হুইলার চালক শহিদুল ইসলাম।
পুলিশ জানায়, রোববার দুপুরে একটি থ্রি হুইলার যশোর সদরের বারীনগর থেকে চৌগাছার সৈয়দপুর গ্রামের পথ দিয়ে যাওয়ার সময় গ্রামবাসীর সন্দেহ হয়। তারা থ্রি হুইলারটি থামিয়ে বস্তাবন্দি এক নারীর লাশ দেখতে পান গ্রামবাসী। এসময় থ্রি হুইলার চালক ও ২ আরোহীকে আটক করে থানায় খবর দেয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধারসহ ৩জনকে আটক করে।
আটক ফাতেমা ও তার ভাই রেজানুল পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে, শনিবার গভীর রাতে পাথর দিয়ে (শিল-নোড়া) মাথায় আঘাত করে রহিমাকে খুন করা হয়। পরে লাশ গুমের জন্য চৌগাছার প্রত্যন্ত অঞ্চলে নিয়ে যাওয়ার সময় তারা জনতার হাতে ধরা পড়ে।
চৌগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আকরাম হোসেন জানান, হত্যাকাণ্ডের আলামত সংগ্রহে খুনিদের একজনকে নিয়ে পুলিশ বারীনগর গ্রামে যায়। সেখান থেকে খুনির দেখিয়ে দেয়া পাথরটি উদ্ধার করে পুলিশ।
ঢাকা, ২২ জুন (টাইমনিউজবিডি.কম) // কেএইচ





