লোহাগড়ার শালবরাত গ্রামে গৃহবধূ ববিতাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনাকে সাজানো নাটক বলে দাবি করলেন সেনা সদস্য শফিকুলের দ্বিতীয় স্ত্রী মাহমুদা আক্তার।

বুধবার দুপুরে লোহাগড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির হলরুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন।

লিখিত বক্তব্যে মাহমুদা আক্তার বলেন, শফিকুলের সঙ্গে বিয়ের যে কাবিননামা ববিতা দেখিয়েছে তা ভুয়া। গাছে বেঁধে নির্যাতনের বিষয়টিও পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সেনা সদস্য শফিকুলের চাচী ও ফুফু শাশুড়ি।

সংবাদ সম্মেলনে মাহমুদা আক্তার দাবি করেন, ২০১২ সালের পহেলা মে তার সঙ্গে শফিকুলের বিয়ে হয়। ববিতা ২০১৩ সালের ২২ জানুয়ারি আমার স্বামী শফিকুলের সঙ্গে বিয়ের যে কাবিননামা দেখিয়েছে তা ভুয়া ও নিবন্ধনবিহীন।

সেনা সদস্য শফিকুল ও তার শ্বশুর-শাশুড়িসহ আত্মীয়-স্বজনের বিরুদ্ধে ববিতার দায়ের করা মামলাকে মিথ্যা আখ্যায়িত করে মাহমুদ আক্তার ন্যায় বিচার দাবি করেন।

এর আগে ২২ জুন নির্যাতিতা গৃহবধূ ববিতা খানম তার বাবার বাড়ি এড়েন্দা গ্রামে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। সেখানে তিনি তার নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তাসহ ন্যায় বিচার দাবি করেন।

উল্লেখ্য, গত ৩০ এপ্রিল লোহাগড়া উপজেলার শালবরাত গ্রামের ছালাম শেখের ছেলে সেনা সদস্য শফিকুল শেখের বাড়িতে ববিতা খানমকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দা অমানবিকভাবে নির্যাতন চালানো হয়। এ ঘটনার পর ৫ মে নির্যাতিতার মা খাদিজা বেগম বাদী হয়ে শফিকুলসহ সাতজনকে আসামি করে মামলা করেন। পরবর্তীতে হাইকোর্ট ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আসামিদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন। বর্তমানে মামলার আসামি ও গ্রাম্য মাতবর আসামি আজিজুর রহমান আরজু জামিনে আছেন।

জেআই