ঈদুল আজহা উপলক্ষে হবিগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দূর-দূরান্ত থেকে পাইকাররা দেশি বিদেশি গরু, মহিষ ও ছাগলসহ কোরবানির পশু নিয়ে বাজারে এসেছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, প্রায় সাত সহস্রাধিক ছোট বড় দেশি-বিদেশি গরু-ছাগল নিয়ে বিক্রেতারা এসেছেন। ক্রেতাদেরকে আকৃষ্ট করতে পশুকে নানান সাজে সজ্জিত করে সারিবদ্ধ বেঁধে রেখেছেন। বিভিন্ন পশুর সর্বনিম্ন ১৫ হাজার থেকে সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত মূল্য হাকছেন বিক্রেতারা। তবে ভারতের হাড়িয়ানা জাতের গরু বাজারে বেশ লক্ষ্য করা যায়। তুলনামূলক হারে দেশি গরুর মূল্য কিছুটা বেশি। তবে তিনশ’ থেকে চারশ’ কেজি ওজনের মাঝারি আকৃতির পশুর চাহিদা ক্রেতাদের কাছে অনেক বেশি।
হবিগঞ্জ সদর উপজেলার রিচি ইউপি চেয়ারম্যান মিয়া মো. ইলিয়াছ জানান, তার খামারের ফ্রিজিয়ান জাতের সাতটি ষাঁড় বাজারে তুলছেন। তিনি প্রায় এক হাজার কেজি ওজনের একটি ষাঁড়ের মূল্য পাঁচ লাখ টাকা হাকছেন।
তবে বিক্রেতাদের বেশি দাম হাকার কারণে ক্রেতারা পড়েছেন বিপাকে। অনেক সময় দেখা যাচ্ছে বিক্রেতাদের দামের সাথে চাহিদা মেলাতে পারছেন না ক্রেতারা।
এ ব্যাপারে বহুলা গ্রামের রুবেল মিয়া জানান, একটি দেশি ষাঁড়ের দর কাষাকষি করেছেন। তিনি ভেবেছিলেন এর মূল্য ৫০ হাজর টাকা হবে। কিন্তু বিক্রেতা চাইলেন ৯০ হাজার টাকা।
বাজারের ইজারাদার মো. আব্দুল আহাদ আলী জানান, সরকারি নিয়মানুযায়ী ২৬ হাজার টাকা মূল্য পর্যন্ত শতকরা সাত টাকা হিসেবে এবং এর অধিক মূল্য হলে সর্বোচ্চ ১৮শ টাকা ইজারা ফি নেয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, বাজারে নিরাপত্তা জোরদার রয়েছে। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা কেউ সৃষ্টি করলে আইন-শৃংখলা বাহিনীসহ আমাদের লোকজন প্রতিহত করবে।
জেআই





