প্রতিবাদী মানুষের রোষাণলে পড়ে মঞ্চে লাঞ্ছিত হলেন সিলেট সদর উপজেলার টুকেরবাজার ইউনিয়ন পরিষদের ৫নং ওয়ার্ডের সদস্য গিয়াস উদ্দিন।

মঙ্গলবার সামিউল আলম রাজন হত্যার প্রতিবাদে সমাবেশ শুরুর পর মঞ্চে বক্তব্য দিতে উঠেন গিয়াস উদ্দিন। এসময় উপস্থিত লোকজন তাকে লাঞ্ছিত করে বক্তব্য দেওয়া বন্ধ করিয়ে দেন।

পরে সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আশফাক আহমদ, আওয়ামী লীগ নেতা অধ্যাপক সুজাত আলী রফিকের হস্তক্ষেপে ইউপি সদস্য জনরোষ থেকে রক্ষা পান।

মঙ্গলবার রাজনকে পিটিয়ে হত্যার পর মাইক্রোবাস যোগে (ঢাকা মেট্টো-চ-৫৪-০৫১৬) শিশু রাজনের মরদেহ গুম করার চেষ্টা করা হয়। এদিন জনতা ধাওয়া করে মুহিত আলমকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।

নিহত রাজন কুমারগাঁও বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের বাদেআলী গ্রামের মাইক্রোবাস চালক শেখ আজিজুর রহমানের ছেলে। রাজনকে হত্যার নির্মম নির্যাতনের ভিডিওচিত্র প্রকাশ হওয়ার পর সিলেটসহ দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়।

এএইচ