রংপুরের আমচাষীরা এবারও মাংসল, আশহীন ও সুস্বাদু স্থানীয় হাড়িভাঙ্গা জাতের আমে বাম্পার ফলন আশা করছেন। এবার স্থানীয় জাতের এ আমটি চমৎকার ফলন হয়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের ফলচাষ বিশেষজ্ঞ খন্দকার মো. মেসবাহুল ইসলাম জানান, গত মার্চ-এপ্রিলে খরার মতো পরিস্থিতি ফলন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত না করলে এবার হাড়িভাঙ্গা আমের ফলন অতীতের সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতো।
তবে এপ্রিলের শেষ সপ্তাহ থেকে বৃষ্টি পড়তে শুরু করায় কচি আমগুলোর বৃদ্ধিতে প্রভূত সহায়ক হয়েছে, বলেন তিনি।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্র জানায়, দেশে-বিদেশে ব্যাপক চাহিদার কারণে চাষীদের মাঝে হাড়িভাঙ্গা আমের বাণিজ্যিক চাষ দিন দিন জনপ্রিয়তা পাচ্ছে এবং এর চাষ বেড়ে চলছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে হাড়িভাঙ্গা আম চাষ করে জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের কয়েকশ’ মানুষ স্বাবলম্বী হয়েছে।
জেলার চার হাজারের বেশি ছোট, বড় ও মাঝারি বাগানে ও বাড়ি-ভিটায় ৬ হাজারের বেশি আমচাষী ও সাধারণ মানুষ এবার সাড়ে ৫ হেক্টর জমিতে হাড়িভাঙ্গা আমের চাষ হয়েছে। গত বছর জেলায় এ আমের ২০ হাজার মেট্রিক টন ফলন হয়েছিল।
কৃষকরা আশা করছেন, এবার কেবল রংপুর জেলায়ই ১২৬ কোটি টাকা মূল্যমানের ২১ হাজার মেট্রিক টন আমের ফলন হবে। এছাড়া রংপুর বিভাগজুড়ে হাড়িভাঙ্গা আমের চাষ দ্রুত বেড়ে চলছে।
জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে হাড়িভাঙ্গা আম পাড়া শুরু হয় এবং জুলাই মাসের শেষ পর্যন্ত তা চলতে থাকে। বর্তমানে স্থানীয় বাজারে হাড়িভাঙ্গা আম প্রতি কেজি ৬০ থেকে ৬৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। শেষ দিকে এর দাম ৩০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তে পারে।
ঢাকা, ৪ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই





