উফসি আউশ ও নেরিকা জাতের ধান চাষে প্রণোদনা হিসেবে বগুড়ায় এক কোটি দুই লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে সরকার।

জেলার আট উপজেলার মোট সাত হাজার ৫২৫ জন কৃষক এই টাকা পাবেন। এরমধ্যে আউশ জাতের ধান চাষে প্রণোদনা পাবেন সাত হাজার ৩০০জন ও নেরিকা চাষে পাবেন ২২৫জন কৃষক।

আসছে খরিপ-১ মৌসুমে এ দু’জাতের ধান চাষে প্রণোদনা হিসেবে প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র চাষিদের মধ্যে বিনামূল্যে বীজ, সার ও সেচ খরচ বিতরণ করা হবে। চলতি মাসের মধ্যে প্রণোদনা কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য সরকার রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে। সে অনুযায়ী ইতোমধ্যেই প্রণোদনার বরাদ্দ সংশ্লিষ্ট উপজেলার কৃষি অধিদফতরগুলোতে এসে পৌঁছেছে।

শনিবার (০৯ এপ্রিল) জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালকের কার্যালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দেশব্যাপী কৃষিখাতে প্রণোদনা দেওয়ার কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সরকার। খাদ্য ঘাটতি পূরণে প্রত্যেক বছরের ন্যায় এবারও আউশ চাষে কৃষকদের প্রণোদনা দিতে সরকার এমন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। বোরো মৌসুম শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কৃষকদের এই প্রণোদনা দেওয়া হবে।

সূত্র আরো জানায়, জেলার সারিয়াকান্দি, সোনাতলা, গাবতলী, শেরপুর, ধুনট, নন্দীগ্রাম, শাজাহানপুর এবং কাহালু উপজেলার প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র চাষীরা এ কর্মসূচির আওতায় পড়বেন। কারণ খরিপ -১ মৌসুমের ফসল হিসেবে এসব এলাকার বেশির ভাগ জমিতে উফসি আউশ ও নেরিকা জাতের ধান চাষ হয়ে থাকে। অন্য এলাকাতে চাষ করা হলেও সেটা সীমিত।

একইদিন দুপুরে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক চন্ডিদাস কুণ্ডু বাংলানিউজকে জানান, প্রত্যেক কৃষক এক বিঘা জমির বিপরীতে উফসি আউস জাতের ধান চাষের জন্য উপকরণ বাবদ পাঁচ কেজি বীজ, ২০ কেজি ইউরিয়া, ১০ কেজি ডিএপি (ডাই অ্যামোনিয়াম ফসফেট), ১০কেজি এমওপি (মিউরেট অব পটাশ) ও সেচ বাবদ ৪শ’ টাকা পাবেন। সেচের টাকা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রত্যেক কৃষকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে দেওয়া হবে।

তবে, নেরিকা জাতের ধান চাষীরা এসব সুবিধার পাশাপাশি জমির আগাছা পরিষ্কারের জন্য আরও ৪শ’ টাকা বেশি পাবেন বলে কৃষি অধিদফতরের ওই কর্মকর্তা জানান।

ওএফ