ঈদের তিন দিন ছুটি শেষে বৃহস্পতিবার আবারো খুলেছে সরকারি অফিস-আদালত। প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতির হার ছিল কিছুটা কম।
সকাল নয়টা থেকেই বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আসতে শুরু করেন সচিবালয়ে। ঈদের ছুটি শেষে বৃহস্পতিবার প্রথম কর্মদিবসে সচিবালয়ের চিত্র ছিল ভিন্ন।
ঈদের ছুটির সঙ্গে বৃহস্পতিবারও ছুটি নিয়েছেন অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী। ফলে সচিবালয়ের বেশিরভাগ অফিসের ডেস্ক ফাঁকা দেখা গেছে। কোনো কোনো অফিস ছিল তালাবদ্ধ।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, ‘সচিবালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতির হার ৫০ শতাংশের কম। রোববার থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি বাড়বে বলে জানান তারা। ঈদের আগে রোববার অফিস খোলা ছিলো। আর ঈদের ছুটি ছিল সোম থেকে বুধবার পর্যন্ত।’
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন। সেখানে ছিলেন অর্থ প্রতিমন্ত্রীও। শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদও নিজ দপ্তরে শুভেচ্ছা বিনিময় ও মিষ্টিমুখ করান আগতদের। মন্ত্রী তাদের সঙ্গে কোলাকুলি ও কুশল বিনিময় করেন।
বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ঘুরে দেখা গেছে, যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী অফিসে এসেছেন, তারা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি ও কুশল বিনিময় করে সময় কাটাচ্ছেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, এবার আবহাওয়া ভাল ছিল। স্বস্তি ও তৃপ্তির ঈদ হয়েছে। এবারের ঈদে ব্যবসায়ীরাও খুব ভাল ব্যবসা করেছেন। ঈদের আগের দিন রাতেও মার্কেটগুলোতে ছিল বেশ ভিড়। সুতরাং সকল শ্রেণি-পেশার মানুষেরই এবার ভাল ঈদ হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী শুভেচ্ছা বিনিময়কালে বলেন, মানুষ এবার ভাল অবস্থায় ঈদ করেছে। মানুষের আর্থিক সক্ষমতাও বেড়েছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে আগামীতে মানুষের সাচ্ছন্দ্য আরো বাড়বে।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বেলা ১২টায় এবং এর আগে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমানও আসেন সচিবালয়ে।
ঈদের ছুটির পর সচিবালয়ে দর্শণার্থীদের অভ্যর্থনা কক্ষ খালি দেখা যায়। এবার যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল থাকায় বেশিরভাগ মন্ত্রী নিজ এলাকায় ঈদ করেছেন। দুপুরের দিকে অন্যান্য মন্ত্রী অফিসে আসতে পারেন বলে জানান সংশ্লিস্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।
ঢাকা,কেএ ৩১ জুলাই, টাইমনিউজবিডি.কম





