চট্রগ্রামে পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী হত্যা ও সোমবার জেলার হরিণাকুণ্ডে একজন সাবেক ইউপি সদস্য ও একজন ক্লিনিক মালিককে গুলি করে ও জবাই করে হত্যার রেশ না কাটতেই এবার ঝিনাইদহে পুরোহিত আনন্দ কুমার গাঙ্গুলিকে গলাকেটে হত্যা করেছে দুবৃত্তরা।
আনন্দ গোপাল ওই মন্দিরের পুরোহিত ছিলেন। তিনি উপজেলার করাতিপাড়া গ্রামের মৃত সত্য গোপাল গাঙ্গুলির ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, অন্য দিনের মত সকালে করাতিপাড়ার বাড়ি থেকে সাইকেলে পার্শ্ববর্তী নলডাঙ্গা শিদ্ধেশরী মন্দিরে পূজা দিতে যাচ্ছিলেন আনন্দ গোপাল।
পথে মহিষাডাঙ্গা ভাগাড় নামক স্থানে মোটরসাইকেলে এসে তিন দুর্বত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে ও গলাকেটে হত্যা করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের খবরে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।
ঝিনাইদহ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজবাহার আলী শেখ জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।
এখন পর্যন্ত এ হত্যার দায় কেউ স্বীকার করেনি। তবে সাম্প্রতিক সময়ের বিভিন্ন হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আনন্দ গোপাল হত্যার মিল রয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, নিহত আনন্দ গোপাল নির্দিষ্ট কোনো মন্দিরের পুরোহিত ছিলেন না। তিনি গ্রাম্য পুরোহিত হিসেবে সকলের কাছে পরিচিত ছিলেন।
গত রোববার চট্টগ্রামে পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতুকে গুলি করে হত্যা করে মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তরা।
ওইদিনই নাটোরের বড়াইগ্রামে খ্রিস্টান মুদি ব্যবসায়ী সুনীল গোমেজকে নিজ দোকানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস সুনীল গোমেজকে হত্যার দায় স্বীকার করে বিবৃতি দেয়।
এছাড়া গত মাসে ঝিনাইদহের পার্শ্ববর্তী কুষ্টিয়ায় এক হোমিও চিকিৎসককে কুপিয়ে হত্যা করে পরে খ্রিস্টান ধর্ম প্রচারের অভিযোগ এনে তার দায় স্বীকার করে আইএস।
এসএম/এমবি





