ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, হাসপাতালে ভর্তি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর বারবার চলে যেতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন। আগামীকাল আবার মেডিকেল বোর্ড তাঁকে দেখে ছাড়পত্র দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।
বুধবার (০৮ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে সাংবাদিকদের তিনি এই কথা বলেন।
ঢামেক পরিচালক বলেন, “মেয়েটি নিজে বারবার চলে যেতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন। তারপরও আমরা আজকের দিনটা তাঁকে আমাদের এখানে রাখব। আগামীকাল আবার মেডিকেল বোর্ড তাঁকে দেখে ছাড়পত্র দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। পরে তাঁর ফলোআপ চিকিৎসার জন্য তাঁকে আবার হাসপাতালে আসতে বলব। আমাদের এখানে এলে আমরা তাঁর ব্যবস্থা করব। সব মিলিয়ে মানসিকভাবে তিনি অনেক ভালো আছেন।”
চিকিৎসাধীন শিক্ষার্থীকে গ্রেফতার ধর্ষকের ছবি দেখানো হয়েছে কি-না? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে পরিচালক বলেন, “সকালে র্যাব কর্মকর্তারা হাসপাতালে এসেছিলেন। তাঁরা শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলেছেন। আমি তখন ওনাদের সঙ্গে ছিলাম না। উনারা শিক্ষার্থীর সঙ্গে কী বিষয়ে কথা বলেছেন, তা আমি বলতে পারছি না।”
গত ০৫ জানুয়ারি (রোববার) সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই শিক্ষার্থী রাজধানীর শেওড়ায় বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার পথে কুর্মিটোলা বাসস্ট্যান্ডে বিমানবন্দর সড়কে নেমে ধর্ষণের শিকার হন। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস থেকে নামার পরপরই তিনি আক্রান্ত হন। মুখ চেপে ধরে তাঁকে তুলে সড়কের পাশে ঝোপের মধ্যে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়।
কয়েক ঘণ্টা পর চেতনা ফিরে পেয়ে ওই শিক্ষার্থী বান্ধবীর বাসায় যান। রাতেই তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়। পরদিন ক্যান্টনমেন্ট থানায় একটি মামলা করেন তাঁর বাবা।
এ মামলায় আজ ভোরে মজনু নামের একজনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
বুধবার দুপুরে রাজধানীর কাওরান বাজারের র্যাবের মিডিয়া সেন্টারে র্যাবের গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সারোয়ার বিন-কাশেম বলেন, “গ্রেফতার মজনু (৩০) সিরিয়াল রেপিস্ট। এরআগে একই জায়গায় সে এ ধরনের অপরাধ করেছে। প্রতিবন্ধী, ভিক্ষুকসহ বিভিন্ন নারীদের সে আটকে রেখে ধর্ষণ করতো। তাদের হত্যার হুমকিও দিত।”
এমবি





