যাত্রীদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, এবারের বন্যাটা অন্যরকম। যেখানে বন্যা হয় না, এবার সেখানেও বন্যা হয়েছে। আমি অনুরোধ করবো জীবনকে বাজি রেখে ঈদযাত্রা করাটা ঠিক হবে না।

আজ রবিবার দুপুরে রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনের বিজয় হলরুমে পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে নৌপথে যাত্রীদের সুষ্ঠু ও নিরাপদ চলাচল নিশ্চিতকরণে কর্মপন্থা গ্রহণের লক্ষ্যে সভায় এ অনুরোধ করেন প্রতিমন্ত্রী।

খালিদ মাহমুদ বলেন, আমরা সবাই চাই যে, ঈদযাত্রাটা ভালো হোক। আমরা কখনোই চাই না ঈদযাত্রায় যাত্রীরা মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে যাক। এটা আমরা কখনোই চাই না। চলমান বন্যায় উত্তাল নদীপথ পার হতে গিয়ে জীবনকে হুমকির মুখে ফেলবেন না।

প্রতিমন্ত্রী জানান, ফেরিগুলোর বয়স হয়েছে। আমাদেরকে মনে রাখতে হবে যে, যতটুকু সক্ষমতা আছে, আমরা ততটুকুই সাপোর্ট দিতে পারবো। হ্যাঁ, আমরা নতুন নতুন প্রকল্প হাতে নিয়েছি, এগুলো যুক্ত হয়ে গেলে সক্ষমতা আরো বাড়বে।বিআইডব্লিউটিসির দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার কারণে বড় দুর্ঘটনা থেকে আমরা বেঁচে গেছি।

তিনি আরো বলেন, কোরবানির পশুও নৌপথে আসবে। যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সে জন্য কোস্টগার্ড, পুলিশকে বেশি নজর দিতে হবে। যাতে কোনোভাবেই নেতিবাচক খবরের কারণ না হয়।

নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবদুস সামাদ বলেন, যখন কোনো সাফল্য আসে তখন অনেকেই বলে আমিও এর অংশিদার। কিন্তু ব্যর্থতা আসলে তখন এক ডিপার্টমেন্ট আরেক ডিপার্টমেন্টকে দোষারোপ করি। এটা আমাদের অনেক পুরোনো অভ্যাস। এখানে দোষারোপ করলে হবে না। সবাইকে এগিয়ে এসে এক যোগ কাজ করতে হবে।

এ সময় নৌ পরিবহন অধিদফতরের মহাপরিচালক, বিআরটিসির চেয়ারম্যান, বিআইডব্লিউটিএ এর চেয়ারম্যান, বিভাগীয় কমিশনাররা, সংশ্লিষ্ট পুলিশের ডিআইজি, বিভিন্ন জেলার এসপি, নৌপরিবহন মালিক সমিতির সদস্য ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এএস