যুক্তরাষ্ট্র সফররত বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রগতির প্রশংসা করছে অথচ জিএসপি সুবিধা দিচ্ছে না কেন তা জানিনা। তিনি বলেন, পৃথিবীর সকল দেশ যুক্তরাষ্ট্রে জিএসপি সুবিধা পেলেও শুধুমাত্র দু’টি দেশ বাংলাদেশ ও রাশিয়া এই সুবিধা পাচ্ছে না।
অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের পণ্য সহজেই রপ্তানী করতে দেশেই গভীর সমুদ্রবন্দর (ডিপ সী পোর্ট) করার চিন্তাভাবনা চলছে। এজন্য কক্সবাজারের মহেশখালী আর কুতুবদিয়ায় প্রস্তাব সরকার বিবেচনা করে দেখছে। তিনি বাংলাদেশের অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
আমেরিকান বাংলাদেশী বিজনেস অ্যালায়েন্স (এবিবিএ) আয়োজিত ‘বাংলাদেশে চলমান উন্নয়ন ও অগ্রগতি এবং প্রবাসীদের অংশগ্রহণ ও করণীয়’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী মুহিত উপরোক্ত কথা বলেন। গত ২ অক্টোবর রোববার অপরাহ্নে নিউইয়র্ক সিটির উডসাইডস্থ গুলশান ট্যারেসে এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়। সেমিনারের কনভেনর সালেহ আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ডেমোক্র্যাটিক জাতীয় কমিটির ভাইস চেয়ার কংগ্রেসওমেন গ্রেস মেং।
এছাড়াও আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন ও নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ নিযুক্ত কনসাল জেনারেল শামীম আহসান। সেমিনারের কী নোট স্পীকার ছিলেন বেসরকারী সংগঠন সীমান্তিক-এর চেয়ারম্যান ও রূপালী ব্যাংক লি: এর সাবেক চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট অর্থনীতিবীদ ড. আহমেদ আল কবীর।সেমিনারে অতিথিবৃন্দ ছাড়াও শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান।
অনুষ্ঠানে কংগ্রেসওম্যান গ্রেস মেং বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশ ও বাংলাদেশী কমিউনিটির অনেক ‘সাকসেস স্টোরি’ রয়েছে। নিউইয়র্ক তথা যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশী কমিউনিটি স্ট্রং কমিউনিটি। প্রসঙ্গত তিনি ইউএস কংগ্রেসে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ বিল পাস, নিউইয়র্কের পাবলিক স্কুলে ঈদের ছুটি প্রভৃতি উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন। তিনি ‘আসসালামু আলাইকুম’ বলে তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্য শুরু এবং ‘ধন্যবাদ’ জানিয়ে বক্তব্য শেষ করেন।
সেমিনারে অর্থমন্ত্রী মুহিত বলেন, বাংলাদেশে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতির প্রবৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ। যা দেশের আর্থিক অবস্থার স্থিতিশীলতাই প্রমাণ করে। তিনি বলেন, চীন আর ভারতের পরই বাংলাদেশে প্রবৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ। এটা মাইলফলক। এই অবস্থা ধরে রাখতে হবে।
জেড





