দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে যৌথ বাহিনীর অভিযান চলাকালে পুলিশ-গ্রামবাসীর সংঘর্ষে এক যুবদল কর্মী নিহত হয়েছে। এ সময় নিহতের মা ও ছোটভাই গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছে পুলিশসহ ৬ জন।
নিহত মো. রেজওয়ান উপজেলার পুনট্টি ইউনিয়নের তুলসিপুর গ্রামের হবিবর রহমানের ছেলে এবং ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী।
আহতরা হলেন- এএসআই মো. মোস্তাফিজুর রহমান (৩৬), পুলিশ কনষ্টেবল মো. হাবিবুল্লাহ (৩৪), মো. রবিউল ইসলাম (৩৫), মো. জাহাঙ্গীর আলম (২৮), রেজওয়ানের ছোট ভাই মো. হায়দার আলী (১৮) ও মা আম্বিয়া বেগম (৪৫)।
শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার পুনট্টি ইউনিয়নের তুলসিপুর গ্রামে এ সংর্ঘষের ঘটনা ঘটে।
পুনট্টি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আতিয়ার রহমান জানান, শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে যৌথবাহিনী নাশকতা-বিরোধী অভিযান চালানোর জন্য ওই গ্রামে যায়। এক পর্যায়ে তারা নাশকতার অভিযোগে হবিবর রহমানকে আটক করলে পরিবারের লোকজন এবং গ্রামবাসী পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এ সময় পুলিশ গুলি চালালে হবিবর রহমানের ছেলে মো. রেজওয়ান ঘটনাস্থলেই নিহত হয়।
এ অবস্থায় গ্রামবাসীর তোপের মুখে নিহতের লাশ ফেলে রেখেই পুলিশ পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করলেও, পুলিশ মোতায়েন করায় গ্রামটি এখন প্রায় পুরুষশুন্য হয়ে পড়েছে বলেও জানিয়েছেন আতিয়ার রহমান।
চিরিরবন্দর থানার ওসি আনিসুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘অভিযান চলাকালে আমাদের ৪ পুলিশকে কুপিয়ে জখম করে গ্রামবাসী। আহত পুলিশ সদস্যদের দিনাজপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।’
এ সময়, পুলিশ আত্মরক্ষার্থে গুলি চালায় বলে দাবি করলেও, ঠিক কত রাউন্ড গুলি চালানো হয়েছে- তা জানাতে পারেননি ওসি আনিসুর রহমান।
জেআই





