বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ রবিউল আলম (৩৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
পুলিশের দাবি, নিহত রবিউল উপজেলার জল্লা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ ঘোষ নান্টু হত্যা মামলার প্রধান আসামি।তিনি ঢাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী কাইল্লা পলাশের সহযোগী। তার বিরুদ্ধে রামপুরা থানায় অস্ত্রসহ ৫টি মামলা রয়েছে।
সোমবার রাত ৩টার দিকে উপজেলার জল্লা ইউনিয়নের পিরেরপাড় ফুলতলা এলাকায় এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।
নিহত রবিউল মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলা কুক্রিরচর এলাকার বাসিন্দা।
বরিশালের পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম জানান, সোমবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদারীপুর থেকে রবিউল আলমকে গ্রেফতার করা হয়।
পরে রবিউলের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাকে নিয়ে রাত ৩টার দিকে পিরেরপাড় ফুলতলা এলাকায় অস্ত্র উদ্ধারের অভিযানে যায় পুলিশ। যেখানে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা রবিউলের সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এ সময় পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়।
একপর্যায়ে রবিউল গুলিবিদ্ধ হন। তাকে উদ্ধার করে উজিরপুর হাসপাতালে নিলে সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক রবিউলকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
এদিকে ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল, তিন রাউন্ড গুলি, তিনটি রামদা উদ্ধার করা হয়েছে।
নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নিহত রবিউল উপজেলার জল্লা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ ঘোষ নান্টু হত্যা মামলার প্রধান আসামি।তিনি ঢাকা শীর্ষ সন্ত্রাসী কাইল্লা পলাশের সহযোগী। তার বিরুদ্ধে ঢাকার রামপুরা থানায় অস্ত্রসহ ৫টি মামলা রয়েছে বলে জানান পুলিশ সুপার।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২১ সেপ্টেম্বর উজিরপুরের জল্লা ইউনিয়নের কারফাবাজারে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ হালদার নান্টু।





