রাজধানীর সঙ্গে সারা দেশের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক আজ রোববার সকাল থেকেই রাজধানীর সঙ্গে দেশের বিভিন্ন স্থানের নৌ, স্থল ও ট্রেনপথ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

৫ জানুয়ারি ২০ দলীয় জোটের গনতন্ত্র হত্যা দিবসের কর্মসূচির অনুমতি না দিয়ে সরকার এ পদক্ষেপ নেয়। একই সঙ্গে রাজধানী সহ দেশের বিভাগীয় শহরে সব ধরনের সমাবেশ ও মিছিল মিটিং নিষিদ্ধ ঘোষণা করে পুলিশ।

সরকারের পক্ষ থেকে জারি করা এসব নির্দেশনার ফলে জনমনে ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। সরকারের এ পদক্ষেপের কারণে রাজধানীর সঙ্গে প্রায় সকল জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হয়েগেছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ মানুষ। অনেকে রাজধানীতে আটকা পড়েছেন। তারা কাজ শেষ করেও গ্রামে ফিরতে পারছে না।

রোববার সকাল থেকে সকল পথের যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বরিশালের কোনো রূটে কোনো জাহাজ বা লঞ্চ আজ ছেড়ে আসছে না। উত্তরবঙ্গের কোনো জেলা থেকেও গাড়ি আসছে না ঢাকায়।

পরিবহন মালিকরা দাবি করছেন, নাশকতার আশঙ্কায় তারা আজ গাড়ি বন্ধ করে দিয়েছেন।
তবে এর বিপরীত কথাও বলেছেন কোনো কোনো মালিক। তাদের অভিযোগ, স্থানীয় পুলিশ রাজধানীর উদ্দেশ্যে কোনো গাড়ি ছাড়তে দিচ্ছে না।

এদিকে ঢাকা বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলের সকল রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে লঞ্চ মালিক সমিতি। রোববার বিকেল থেকে লঞ্চ চলাচল বন্ধের এ ঘোষণা দেয় মালিক সমিতি।

৫ই জানুয়ারিকে ঘিরে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ঢাকামুখী দূরপাল্লার সকল বাস বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। গাবতলী, মহাখালী ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে দূরপাল্লার কোনো বাস আসতে দেখা যায়নি।
একে