মোবাইল ফোন চুরি করেছে এই সন্দেহে কিশোরীর হাত-পা বেঁধে শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয় চাচি। পরে আহত অবস্থায় শনিবার ভোরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় সে।

নরসিংদীর শিবপুর উপজেলায় এমনইভাবে বর্বর কায়দায় এক কিশোরীর গায়ে আগুন দিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

নিহত কিশোরী আজিজা খাতুন (১৩) উপজেলার খনকুট গ্রামের আবদুস সাত্তারের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি স্কুলে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ত। সাত্তার স্থানীয় একটি পোলট্রি ফার্মে শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন।

আবদুস সাত্তার সকালে ঢামেক হাসপাতালে সাংবাদিকদের জানান, কয়েকদিন আগে আজিজার চাচি বিউটি বেগমের একটি মোবাইল চুরি হয়। এ ঘটনায় আজিজাকে সন্দেহ করেন তার চাচি। তার জের ধরে গতকাল সন্ধ্যায় আজিজাকে হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন বিউটি বেগম।

রাতেই তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোরে সে মারা যায় বলে জানান আজিজার বাবা।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) বাচ্চু মিয়া এনটিভি অনলাইনকে বলেন, আজিজাকে তার চাচি পুড়িয়ে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন তার বাবা। বিষয়টি আমরা এরই মধ্যে শিবপুর থানাকে অবহিত করেছি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে রাখা আছে।
জেড