ছয়টি দেশের যাত্রীদের করোনা পরীক্ষা করে বাংলাদেশে প্রবেশের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে। এই নির্দেশনা আগেই প্রযোজ্য ছিল চীন, ইরান, দক্ষিণ কোরিয়া ও ইতালির যাত্রীদের বেলায়। এর সঙ্গে এখন যুক্ত করা হলো সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ডের যাত্রীদের।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ‘মুজিববর্ষ বাস্তবায়ন আন্তর্জাতিক উপকমিটির’ সভা শেষে এসব কথা জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, নির্ধারিত ওই দিনেই আমাদের অনুষ্ঠান হবে। এক্ষেত্রে আমাদের অনুষ্ঠানমালার সূচিতে কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়েছে। সেদিন আমাদের বড় কোনো গণজমায়েতের চিন্তা নেই, তবে ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে বিশ্ববাসীর সঙ্গে অনুষ্ঠান সংযোগ থাকবে। আমাদের অনুষ্ঠানের মধ্যে আরও ছিল ২২ ও ২৩ মার্চ সংসদে বিশেষ অধিবেশন, ২০ মার্চ শিশুদের সঙ্গীত, ২৬ মার্চ, ২৭ মার্চ অতিথিদের নিয়ে অনুষ্ঠান, তবে সবগুলোই জনসমাগম এড়িয়ে করা হবে। অনুষ্ঠানে থাকবে রক্তদান, মিলাদ মাহফিল, রাষ্ট্রপতির বাণী, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, শেখ রেহানার শুভেচ্ছা বক্তব্য।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে আসার ব্যাপারে নিরুৎসাহিত করতে বিদেশি দূতাবাসগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তা ছাড়া সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফর যতটা সম্ভব সীমিত করার ওপর প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন বলেও জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

আবদুল মোমেন বলেন, ‘ওইসব (করোনাভাইরাসে শনাক্ত) দেশে থাকা বাংলাদেশিরা এখন না এলেই ভালো হয়। দেখেন এই যে দুজন আসছে (ইতালি থেকে), এসেই ঝামেলাটা পাকিয়ে ফেলেছে।’

তা ছাড়া সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফর যতটা সম্ভব সীমিত করার ওপর প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন বলেও জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।