বর্তমানে রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে সন্ত্র্যাসী কর্মকান্ড চলছে মন্তব্য করে পুলিশের মহাপরিদর্শক একেএম শহীদুল হক বলেছেন, “ফৌজদারী অপরাধ দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহন করেছে।
কেউ সন্ত্র্যাসী কর্মকান্ড করে জনগনের জানমালের ক্ষতি করতে চাইলে তাদের ছাড় দেয়া হবে না।”
বুধবার দুপুরে উত্তরা র্যাব সদর দপ্তর পরিদর্শণ শেষে সাংবাদিকদের এক ব্রিফিংয়ে তিনি এই কথা বলেন।
“নাশকতার মদদদাতা ও অর্থ জোগানদাতাদের এরই মধ্যে আমরা চিহ্নিত করতে পেরেছি। তাদের অনেককেই এরই মধ্যে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ি ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।”
নাশকতার অভিযোগে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে কয়েকটি মামলায় হুকুমের আসামী করা হয়েছে। তাকে কবে নাগাদ গ্রেপ্তার করা হবে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে পুলিশ কর্মকর্তা একেএম শহীদুল হক বলেন, “মামলাগুলো যারা তদন্ত করছে তারাই এই বিষয়ে বলতে পারবে।
কাউকে তারা গ্রেপ্তারের জন্য যদি প্রয়োজনীয় তথ্য পায় এবং গ্রেপ্তার করতে চায় তাহলে তারা আমাদের সহযোগিতা চাইলে তা পাবে।”
“দশ বছরের বেশি সময় ধরে র্যাোব অত্যন্ত সাহসীকতার সঙ্গে নিজেদের দায়িত্ব পালন করে জনগনের আস্থা অর্জন করেছে।আগামীতেও তারা জনগনের ও দেশের স্বার্থে নিরলসভাবে কাজ করে যাবে।”
সম্প্রতি হরতাল অবরোধে নাশকতার অভিযোগে পুলিশ সাধারণ মানুষকে হয়রানি করছে এমন প্রশ্নের জবাবে পুলিশের মহাপরিদর্শক একেএম শহীদুল হক বলেন,“আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জবাবদিহীতার ঊর্ধে না। কারো বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।”
সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,“হিযবুত তাহরীর বাংলাদেশের জন্য কোন থ্রেট না। তারপরও তারা যেন কোন অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না করতে পারে সেইজন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।”
এছাড়াও ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন র্যাব মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ, র্যাব অতিরিক্ত মহাপরিচালক জিয়াউল আহসান, গণমাধ্যম শাখার পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান।
এআই/এসএইচ/জেআই





