দাগনভূঞা উপজেলা কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় তিন জন গুলিবিদ্ধসহ ১৫ জন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার বিকেলে উপজেলা সদরে এ ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষ চলাকালে ছাত্রলীগ কর্মীরা কয়েকটি গাড়িতে ভাঙচুর চালায়। এ ঘটনার পর থেকে নোয়াখালী-ফেনী সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
গুলিবিদ্ধ নেতাকর্মীরা হলেন- ছাত্রলীগ সভাপতির ভাই মুহিত চৌধুরী, পারভেজ ও রুবেল। আহত অন্যদের নামপরিচয় পাওয়া যায়নি। আহতরা বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে গোপনে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানায়, আবু নাসের চৌধুরী আসিফকে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও রবিউল হাসান রাকিবকে সাধারণ সম্পাদক করে বিকেলে উপজেলা কমিটি ঘোষণা করে জেলা ছাত্রলীগ। পূর্ববর্তী কমিটির একরামুল একরাম ও আজিজুল হক রাসেল সমর্থিত নেতাকর্মীরা নতুন কমিটিকে প্রত্যাখ্যান করে নতুন কমিটি দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল বের করে।
এ সময় আসিফ-রাকিব সমর্থকরা বাধা দিলে একরাম-আজিজের অনুসারী সমর্থকদের সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষে ছাত্রলীগ সভাপতির ভাই মুহিত চৌধুরী, পারভেজ ও রুবেল গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়। এসময় বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে থেমে থেমে ককটেল নিক্ষেপ করে ছাত্রলীগ কর্মীরা।
পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনার পর থেকে ফেনী-নোয়াখালী রুটে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন রাজিব জানান, জেলা কমিটির পক্ষ থেকে দেওয়া কমিটি না মেনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দাগনভূঞা থানার আবুল ফয়সল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
এএইচ





