রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে ব্রাশফায়ারে সাতজন নিহতের ঘটনায় অতি দ্রুত চিরুনি অভিযান শুরু হবে বলে জানিয়েছেন খাগড়াছড়ি সেনাবাহিনীর রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হামিদুল হক।

তিনি বলেন, উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই নৃশংস ঘটনা খুবই দুঃখজনক। পাহাড়ে দ্রুত চিরুনি অভিযান চালানো হবে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে যৌথবাহিনী কাজ করবে। পাহাড়ে সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িতদের কোনোভাবেই ছাড় দেয়া হবে না। এটি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা।
হত্যাকাণ্ডের পর এখনো পর্যন্ত মামলা দায়ের করা হয়নি। তবে পুলিশ জানিয়েছে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

রাঙামাটি পুলিশ সুপার মো. আলমগীর কবীর জানান, অভিযানের বিষয়টি আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর গোপন বিষয়। সময়মত অভিযান চালানো হবে।

এদিকে রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে ব্রাশফায়ারে নিহত সাতজনের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে তাদের ছয়জনকে উপজেলায় স্বজনরা আলাদাভাবে দাফন করেন।

এর আগে চট্টগ্রামের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মারা যাওয়া আবু তৈয়বের মরদেহ বিকেলে উপজেলার লাইল্যাঘোনায় দাফন করা হয়েছে।

এদিকে, সন্ত্রাসীদের হামলায় সাতজন নিহতের ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পার হতে না হতেই মঙ্গলবার সকালে বিলাইছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুরেশ কান্তি তঞ্চঙ্গ্যাকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। তার মরদেহ রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে এনে ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে তার মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, সোমবার জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার মাচালং, বাঘাইহাট ও কংলাক ভোট কেন্দ্র থেকে নির্বাচনী কাজ শেষে ফেরার পথে ৯ কিলো এলাকায় দুর্বৃত্তদের ব্রাশফায়ারে ৭ জন নিহত ও ২৫ জন আহত হয়। আর মঙ্গলবার সকালে বিলাইছড়ি উপজেলার আলী চিয়ং এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুরেশ কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা নিহত হয়।

জেড