চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে আগামী ৬ মার্চ অনুষ্ঠিতব্য ৩৫তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি (প্রাথমিক বাছাই) পরীক্ষা পেছান হবে না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান একরাম আহমেদ।
শনিবার বিকেলে তিনি বলেন, ‘ঘোষিত তারিখেই (৬ মার্চ) ৩৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সে লক্ষ্যে আমাদের প্রস্তুতি চলছে।’
হরতাল-অবরোধের কোনো প্রভাব প্রস্তুতিতে পড়েনি জানিয়ে একরাম আহমেদ আরও বলেন, ‘আশা করছি, পরীক্ষা যথাসময়ে সম্পন্ন করতে কোনো সমস্যা হবে না।’
৩৫তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আগামী ৬ মার্চ সকাল সাড়ে ৯টায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট ও রংপুর কেন্দ্রে একযোগে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
প্রথম শ্রেণীর সরকারি চাকরির প্রত্যাশায় ৩৫তম বিসিএসের বিভিন্ন ক্যাডারে ১ হাজার ৮০৩টি পদের বিপরীতে আবেদন করেছেন দুই লাখ ৪৪ হাজার ১০৭ জন। সে অনুযায়ী প্রতি পদের বিপরীতে ১৩৫ জন প্রার্থী লড়বেন। বিসিএসের ইতিহাসে এবারই সবচেয়ে বেশি সংখ্যক প্রার্থী চাকরির জন্য আবেদন করেছেন বলে পিএসসি সূত্রে জানা গেছে।
এর মধ্যে প্রশাসনে ৩০০ জন, পুলিশে ৫০ জন, সাধারণ ক্যাডারে মোট ৪৫৫ জন, শিক্ষা ক্যাডারে ৮২৯ জন, বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে সরকারি শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজে ৩৫ জন এবং প্রফেশনাল ও টেকনিক্যাল ক্যাডারে ৪৮৪ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।
এর আগে ৩৫তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ৬ ফেব্রুয়ারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও তা এক মাস পিছিয়ে ৬ মার্চ করা হয়।
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বয়স, যোগ্যতা ও সরাসরি নিয়োগের জন্য পরীক্ষা) বিধিমালা সংশোধনের পর গত ২৩ সেপ্টেম্বর ৩৫তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, এমসিকিউ প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ১০০ নম্বরের পরিবর্তে ২০০ নম্বর এবং সময়ও এক ঘণ্টা থেকে বাড়িয়ে দুই ঘণ্টা করা হয়েছে।
হরতাল-অবরোধের কারণে ইতোমধ্যে এসএসসি ও সমমানের চারটি পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।
জেআই





