সরকারি চাকরিজীবী হয়েও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের উপ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদকের পদ নিয়ে রাজনীতি করছেন মাহফুজার রহমান উজ্জল।

কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রলীগের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন ছিল শনিবার। এখানে তিনি শুধু উপস্থিতই থাকেননি, বক্তৃতা দিয়েছেন, মঞ্চে বসেছেন আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে।

ছাত্রলীগের রাজনীতির পাশাপাশি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) মেডিকেল অফিসার মাহফুজার রহমান উজ্জল।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৫ (গ) ধারা অনুযায়ী, যেকোনো নিয়মিত ছাত্র ছাত্রলীগের কর্মকর্তা ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সদস্য হতে পারে। সরকারি চাকরিতে নিয়োজিত কেউ ছাত্রলীগের কর্মকর্তা হতে পারেন না।

মাহফুজার রহমানের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে শনিবার সন্ধ্যায় তিনি বলেন, ‘রাজনীতি করেও চাকরি করা যায়। এতে কোনো সমস্যা নেই।’

ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্রের প্রসঙ্গ তুললে এই প্রতিবেদককে উজ্জল বলেন, ‘দুইটাই করা যায়, সমস্যা নেই। এ সব বিষয়ে সাক্ষাতে কথা বলব। এখন রাখি ভাই। ঢাকায় এসে কথা হবে।’

মাহফুজার রহমান তার ফেসবুক পেইজেও নিজেকে বিএসএমএমইউয়ের মেডিকেল অফিসার এবং ছাত্রলীগের উপ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক উল্লেখ করেছেন।

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ নেতা সরকারি-বেসরকারি চাকরিতে নিয়োজিত থাকার অভিযোগ আছে। ছাত্রলীগের মতো ঐতিহ্যবাহী সংগঠনের গঠনতন্ত্র লঙ্ঘন করে চাকরি ও রাজনীতি দুটোই করছেন তারা। এ সব বিষয় নিয়ে বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমে প্রশ্ন উঠলেও সংশ্লিষ্ট নেতা ও দায়িত্বপ্রাপ্ত সিনিয়র নেতারা বিষয়গুলোকে আমলে নেন না কিংবা লুকিয়ে রাখেন বলে অভিযোগ ছাত্রলীগেরই অনেক নেতার।

এএইচ