নাটোর জেলার বড়াইগ্রামের রেজুর মোড়ের বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কে ২ পরিবহনের মুখমোখী সংঘর্ষে ব্যাপক হতা হতের ঘটনায় তদন্ত কমিটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে-ভুয়া লাইসেন্সের অথৈ পরিবহনের গাড়ি এবং কেয়া পরিবহনের মেয়াদউর্ত্তীণ লাইসেন্স।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই ২ পরিবহণের গাড়িই ছিল ফিটনেস বিহীন এবং ওভারটেকিংয়ের কারণে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। অথৈ পরিবহনের গাড়ির নম্বর প্লেটে সিলেট-ব-৬৩৮৪ লেখা থাকলেও এই নম্বর কোনো যানবাহন নেই। আর কেয়া পরিবহনে ওই লাইসেন্সের মেয়াদ ২ বছর আগেই শেষ হয়ে গেছে। আর এ সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায় ৩৬ জন এবং আহত হয়েছে আরো ৪৪ জন।
গতকাল বুধবার রাত ৯টায় নাটোর জেলা প্রশাসক মো. মশিউর রহমানের কাছে কমিটির আহ্বায়ক অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার মোহাম্মাদক আলী এই তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কমিটির সদস্য- বড়াইগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোসা. শরীফুন্নেসা, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার বড়াইগ্রাম সার্কেল মাহফুজ্জামান আশরাফ, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার হাইওয়ে পুলিশ বগুড়া অঞ্চল খলিলুর রহমান, বিআরটিএ নাটোরের সহকারী পরিচালক আশরাফুজ্জামান।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত সোমবারের দুর্ঘটনার পরপরই গঠিত ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। পরে সদস্য সংখ্যা বাড়িয়ে ৫ জন করা হয়। তবে দুই দিনেই তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিল কমিটি।
সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার মোহাম্মাদক আলী জানান, ৭ পৃষ্ঠার এই তদন্ত প্রতিবেদন ১৭টি সুপারিশ করা হয়েছে। দুইটি গাড়িই ছিল ফিটনেস বিহীন ও মূলত ওভারটেকিংয়ের কারণে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। অথৈ পরিবহনের নম্বর প্লেটে সিলেট-ব-৬৩৮৪ লেখা থাকলেও এই নম্বর কোনো যানবাহন নেই ও কেয়া পরিবহনে ওই লাইসেন্স ২ বছর আগেই শেষ হয়ে গেছে।
জেলা প্রশাসক মশিউর রহমান তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে জানান, তদন্ত প্রতিবেদন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে সচিব বরাবর পাঠানো হবে।
একে, জেএ





